ইভ্যালিসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ

অনিয়মের অভিযোগ ওঠা ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকাসহ ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে এ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে কমিটির বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) সেলের মহাপরিচালক ও ডিজিটাল ই-কমার্স সেলের প্রধান হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ই-ভ্যালি ছাড়া অন্য ৯ প্রতিষ্ঠান হলো, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদীনের প্রদীপ, কিউকম, বুমবুম, আদিয়ান মার্ট, নিউ ডটকম ডটবিডি ও আলেশা মার্ট।

তিনি বলেন, সভায় ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকাসহ বিভিন্ন ই-কমার্সের বিষয় উঠে এসেছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু ইতোমধ্যে আইন অমান্য করেছে, সুতরাং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সরাসরি কোনো দায়িত্ব না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রেফার করে দেওয়ার সুপারিশ করেছে। যাতে করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। এ জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠানো হবে। তার আগে কমিটির সুপারিশ বাণিজ্যমন্ত্রী ও বাণিজ্য সচিবকে জানানো হবে।

হাফিজুর রহমান বলেন, ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চাওয়া হয়েছিল। একটি পাওয়া গেছে। বাকিগুলোর তথ্যও আসবে। ডিজিটাল পরিচালনা নির্দেশিকা হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ কম উঠছে বলেও জানান হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, নির্দেশিকাটি আরো আগে হলে মানুষের বঞ্চনা আরো কম হতো।

উল্লেখ্য, টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ না করা, গ্রাহকের টাকা আত্মসাত্সহ নানা অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ই-অরেঞ্জের ব্যাংক লেনদেন স্থগিত রয়েছে। এছাড়া ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা মামলাও দায়ের করেছে। ই-ভ্যালির কাছে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের যে পরিমাণ অর্থ পাওনা রয়েছে, তা পরিশোধে যথেষ্ট নগদ টাকা নেই প্রতিষ্ঠানটির হাতে।