পুজার উদ্বোধনে গিয়ে বিধায়ক খুন

সরস্বতী পুজার উদ্বোধনে গিয়ে খুন হলেন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ এলাকার একটি পুজার উদ্বোধনে গিয়ে খুন হন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের এই বিধায়ক। এদিকে এই দিন ছুটিতে ছিলেন তার নিরাপত্তারক্ষী।  এছাড়াও একই সময় আট থেকে দশ বার এলাকায় লোডশেডিং হয়েছে বলেও অভিযোগ এসেছে। বিধায়ক খুনের ঘটনার সঙ্গে এই দুই ঘটনার সম্পর্ক হতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জানা গেছে, শনিবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিলেন সত্যজিৎ বিশ্বাসের দেহরক্ষী প্রভাস মণ্ডল। এর ফলে তার অনুপস্থিতিতে অরক্ষিত ছিলেন সত্যজিৎ বিশ্বাস। এই অবস্থায় পুজার উদ্বোধনে গিয়ে খুন হন  বিধায়ক। এ কারণেই আততায়ীরা ওই বিধায়কের দেহরক্ষী না থাকার তথ্য জানত কি না এমন প্রশ্ন উঠছে এই খুনের ঘটনার পর। ঘটনার পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে দেহরক্ষী প্রভাস মণ্ডলকে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দাবি,' সত্যজিৎবাবু নিজেও খুব একটা নিরাপত্তা নিতে চাইতেন না'। 

এদিকে দেহরক্ষীর পাশাপাশি কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে হাঁসখালি থানার ওসি অনিন্দ্য বসুকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, শনিবার যে অনুষ্ঠানে গিয়ে সত্যজিৎ বিশ্বাস খুন হন, সেখানে মন্ত্রী, বি‌ধায়ক উপস্থিত থাকলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। 

আরও পড়ুন:  ঢাকার ময়লা দূর করতে কলকাতায় সাইদ খোকন

এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে প্রায় আট থেকে দশ বার লোডশেডিং হয় ওই এলাকায়। আর এই লোডশেডিংয়ের মধ্যেই খুন হন বিধায়ক। এর ফলে আততায়ীদের খুন করে পালানোর পথ সুগম করার জন্যই এত বার লোডশেডিং কি না, এমন সন্দেহ দানা বাঁধছে ইতিমধ্যে। 

বিধায়ক খুনের ঘটনার পর পুরো ঘটনার তদন্তে রয়েছে পুলিশ এবং সিআইডি। ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন দুইজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিধায়ক খুনে ব্যবহৃত পিস্তলটি।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি