চাটমোহরে গরিবের ১১ অ্যাম্বুলেন্স বিকল

ফোন করলেই ২৪ ঘণ্টা সেবায় বাড়ির দোরগোড়ায় হাজির হতো অ্যাম্বুলেন্স। দূরত্ব অনুসারে পরিবহন খরচ নির্ধারিত হয় ৫০ থেকে ১০০ টাকা। ভাড়ার টাকায় চালকের বেতন মেরামত খরচ বাদে ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলে জমা হতো। কম খরচে দ্রুত সেবা পাওয়ায় একে বলা হয় ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’।

কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ বিকল হয়ে আছে ১১টি গরিবের অ্যাম্বুলেন্স। ফলে করোনাকালীন সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সৈকত ইসলাম বলেন, অ্যাম্বুলেন্সগুলো সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে দেওয়া ছিল। চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে সেগুলো চলাচল উপযোগী করা হবে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

ইত্তেফাক/এমআর