তালেবান ও নারী

কঠোর বাস্তবতা হলো আফগান নারীদের আবারও নিজ দেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে গণনা করা হবে। পাশাপাশি মৌলিক অধিকার হ্রাস পাওয়া এবং অবিরাম দমণের শিকার হতে হবে তাদের। বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর আমরা একীভূত ও নতুন মধ্যপন্থী তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে একটি স্থিতিশীল আফগানিস্তান দেখতে পাচ্ছি কিনা তা সত্য। একইভাবে দেশ অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চাপে গৃহযুদ্ধ ও অস্থিতিশীল অবস্থায় পরিণত হতে পারে।

দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালে একটি কলাম লিখেছেন মানবাধিকার কর্মী মোনা নাসির। তিনি বলেন, এটি এখন স্পষ্ট যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং যুক্তরাষ্ট্র আফগান নারীদের ভূরাজনৈতিক সংঘাতের ‘দাবার গুটি’ হিসেবে ব্যবহার করছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, লিঙ্গ সমতা ইস্যুটি নিষ্ঠুরভাবে হস্তক্ষেপ এবং কেবল শক্তি ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

গত মাসে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের শুরুর দিকে, এটা মনে হয়েছে যে, নারীর অধিকার এবং স্বাধীনতা বিশেষত তালেবানদের ইসলামের একচেটিয়া সংস্করণের নামে উৎসর্গ করা হবে। আফগান নারীরা সহিংসতার এই অভিজ্ঞতা কেবল শারীরিকভাবেই ভুগবে না, এটি সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও কাঠামো পাবে।

তালেবান ইতিমধ্যে সব নারীদের জন্য শালীনতার একটি প্রাচীন সংস্করণ চালু করেছে। তাদের খেলাধুলা থেকে নিষিদ্ধ এবং যে প্রতিষ্ঠানে পুরুষ কর্মী রয়েছে সেখানে নারীদের কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। আর যে সব নারী পূর্বে এ কাজ করতো তাদেরকে সম্প্রতি বেশ্যা বলে অভিহিত করেছেন তালেবানের এক নেতা।

ইত্তেফাক/টিএ