চট্টগ্রামে সাগরতীরে হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর

চট্টগ্রাম অফিস

স্বাধীনতার ৫০ বছর পর চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাট্টলী এলাকার সাগরতীরের অদূরে ৩০ একর জমির ওপর মুক্তিযুদ্ধের এই স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শনে করে স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিয়েছেন বলে জানান।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে। এই চট্টগ্রাম থেকেই এমএ হান্নান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। এম এ আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরীসহ অনেক বড় নেতা চট্টগ্রামের। তাই প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দেন চট্টগ্রামকে। দ্বিতীয় বৃহত্তমনগরী চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ নেই, তবে আশার কথা হচ্ছে সরকার এটি নির্মাণ করবে। কাট্টলী এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছি, খুবই চমত্কার জায়গা।’

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, প্রস্তাবিত স্থানে প্রায় ৩০ একর সরকারি জায়গা রয়েছে। আগে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থাপনা করে দখলে ছিল। আমরা উদ্ধার করেছি। এখন স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘরের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব আমরা পাঠাব। তারপর ডিপিপি হবে। এটা অনেক বড় বাজেটের প্রকল্প হবে। আশা করি, তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে।