ইত্তেফাক রিপোর্ট
দেশে উত্পাদন বেশি হওয়ায় আলুর দাম কমে গেছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন হিমাগারে সংরক্ষিত আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতি কেজি আলুতে ৯ টাকা ভর্তুকি দাবি করেছে হিমাগার মালিকদের সমিতি। এছাড়াও ৯টি প্রস্তাবনা দিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল শনিবার ঢাকা ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন। লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, চলতি বছরে আলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় মার্চ-এপ্রিল সময়ে ৪০০ হিমাগারে প্রায় ৪০ লাখ টন আলু সংরক্ষিত হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে ২০ মেট্রিক টন আলু বিক্রি না হলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ব্যবসায়ীদের যে আলু হিমাগারে আছে সেই আলুর ওপর আর্থিক সহায়তা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। প্রতি কেজিতে ৯ টাকা ভর্তুকি প্রদানের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি হিমাগারগুলোর জন্য ৪ শতাংশ সরল সুদে ২০ বছর মেয়োদে ঋণ পুনঃতপশিল করারও দাবি জানানো হয়। হিমাগার কৃষিভিত্তিক শিল্প বিবেচনায় এই শিল্পের উত্স কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আলু রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনা ২০ শতাংশ থেকে উন্নীত করে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়।
আলুর উত্পাদন, সংরক্ষণ, বিপণন ও রপ্তানি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বিএডিসি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠনের প্রস্তাব করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসতিয়াক আহমেদ, পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুছ, টিএমএসএসের প্রধান নির্বাহী হোসনে আরা বেগম প্রমুখ।