আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আবহে পা রাখতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপ খেলতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বে আজই দেশ ছাড়বে টাইগাররা। রাত পৌনে ১১টায় ওমানের উদ্দেশে বিমানে চড়বেন ক্রিকেটাররা। ওমানে এক দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে টানা চার দিন অনুশীলন করবে বাংলাদেশ দল। তারপরই বিশ্বকাপের কার্যক্রমে প্রবেশ করবেন মুশফিক-লিটনরা।
ওমানেই দলের সঙ্গে যোগ দিবেন জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের সদস্যরা। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইপিএলে ব্যস্ত সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ওমানের ক্যাম্পে থাকবেন।
নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর কয়েকদিন বিশ্রাম শেষে মিরপুর স্টেডিয়ামে ব্যক্তিগতভাবে টানা অনুশীলন করেছিলেন ক্রিকেটাররা। গতকাল পূর্ণ বিশ্রাম ও বাসায় কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন সবাই। করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে আজ উড়াল দিবেন সবাই।
বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডে তিনটি ম্যাচই ওমানে খেলবে বাংলাদেশ দল। টুর্নামেন্টে কত দূর যাবে মাহমুদউল্লাহর দল? জানতে চাইলে গতকাল জাতীয় দলের নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘সম্ভাব্য সেরা দলই যাচ্ছে। আশা করব যেন ভালো একটা ফলাফল হয়। অমুক অবস্থানে দলকে দেখতে চাই—এভাবে বলা ঠিক হবে না। ভালোর শেষ নেই। আমি তো খুশি হব চ্যাম্পিয়ন হলেই। আমি নিশ্চিত সবাই তাতেই খুশি হবেন। আমি চাইব বাংলাদেশ দল যেন ভালো ক্রিকেট খেলে।’
মুশফিকুর রহিমও আশাবাদী সর্বশেষ টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় দলকে আত্মবিশ্বাস জোগাবে। ধারাবাহিকতা থাকলে বড় কিছুর আশা করছেন তিনি। মুশফিক বলেছেন, ‘আমরা সর্বশেষ সিরিজগুলোতে দল হিসেবে ভালো করেছি । সেটি যদি ধরে রাখতে পারি আমরা অনেকদূর যাব।’ ব্যক্তিগতভাবে ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের সেরাটা দিতে চান মুশফিক।
অভিজ্ঞ এ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘আগেরবার বিশ্বকাপে যে পারফরম্যান্স করেছি, তার চেয়ে এবার যেন আরও বেশি ভালো পারফর্ম করতে পারি দলের জয়ে অবদান আরও বেশি রাখতে পারি।’ যদিও ২০১৬ বিশ্বকাপে তিক্ত স্মৃতি আছে মুশফিকের। ব্যাঙ্গালোরে ম্যাচের অন্তিমে তার ও মাহমুদউল্লাহর ভুলে হারের হতাশায় ডুবেছিল বাংলাদেশ।
ইত্তেফাক/এমআর