টিআর-কাবিখার ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত্

অনুসন্ধানে নাম বাদ দেওয়া কেন বেআইনি নয় :হাইকোর্ট

টেস্ট রিলিফ (টিআর) ও কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করে দুদক। কিন্তু অনুসন্ধানে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের আওয়ামী লীগ নেতা এম শিবলী সাদিকের সংশ্লিষ্টতা পায়নি। পরে তার নাম বাদ দেয় দুদক। এই নাম বাদ দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেয় । তিন সপ্তাহের মধ্যে দুদকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব ও দুদকের পক্ষে ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হোসেন শুনানি করেন।

দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শিবলী সাদিকের বিরুদ্ধে টেস্ট রিলিফ (টিআর) ও কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত্ করার অভিযোগে নিয়ে ২০১৭ সালে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধান শেষে ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ থেকে শিবলী সাদিকের নাম বাদ দেয় দুদক।

দুদক অভিযোগটি নথিভুক্ত করে জানায়, শিবলী সাদিকের বিরুদ্ধে উল্লিখিত অভিযোগ অনুসন্ধানে প্রমাণ না হওয়ায় তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এই নাম বাদ দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট এম আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারের বরাদ্দকৃত টিআর ও কাবিখার ২৭ লাখ টাকা শিবলী সাদিকের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছিল। সরকারি তহবিলের টাকা কীভাবে ব্যক্তিগত হিসাবে জমা হয়—সে বিষয়ে তদন্ত না করেই দুদক তাকে অভিযোগ থেকে বাদ দেয়, যা আইনগতভাবে সঠিক নয়। এ কারণে রিট করা হয়েছে।