মেধাবীর গল্প
সজীব বণিক
ওবায়দুল হক অবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ক্লাব সংগঠনের বর্তমান সভাপতি। স্নাতকে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি দুইবার জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করেছেন অবি, ঝুলিতে আছে আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় গণিত অলিম্পিয়াডে তৃতীয় স্থান লাভ। এখানেই থেমে থাকতে চান না অবি, এগিয়ে যেতে চান বহুদূর। গেল বছরের একুশে বইমেলায় তিনি ‘সংখ্যার আনন্দ’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন। তা ছাড়া ফলাফলের ধারাবাহিকতা স্নাতকোত্তরেও অব্যাহত রাখতে চান এই মেধাবী শিক্ষার্থী।
পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। জীবনের লক্ষ্য পূরণে আত্মপ্রত্যয়ী অবি একজন ভালো মানুষও হতে চান। কাজ করতে চান দেশ ও মানুষের জন্যে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে সমাজে শিক্ষার আলো ছড়ানো তার স্বপ্ন।
উচ্চমাধ্যমিক শেষ করার পর ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে ভর্তি হন। কঠোর অধ্যবসায়ের পর ২০১৮ সালে অনার্স চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফলে অবি তার বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯০ পান তিনি। অবি বলেন, ইচ্ছে ছিল কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়ার। তবে কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে পড়তে না পারলেও গণিত বিভাগ আমাকে অনেক অর্জনের ভাগিদার করেছে।
তবে এতকিছুর পেছনে যার অবদান সবচেয়ে অসামান্য তিনি হলেন আমার মা। যার অনুপ্রেরণায় আমি এতদূর আসতে পেরেছি। ওবায়দুল হক অবি বলেন, জীবনের লক্ষ্য হলো একজন ভালো মানুষ হতে চাই। আর জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করতে অবশ্যই সংগঠন বেশ কার্যকর। পড়াশোনা শেষের পথে তবে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে।