লবলং খালের আশপাশের ভূগর্ভস্থ পানিই হুমকি

পৌরসভা, বিভিন্ন ফ্যাক্টরি, হাসপাতাল, ক্লিনিক, দোকান, হোটেলের সব বর্জ্য ফেলা হয় শ্রীপুরের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, মাওনা জোনেই। ভাওয়ালগড়ের জঙ্গলের ভেতরেও ফেলা হয় কিছু ময়লা। আর খালের ওপর বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে যে পানি দেখা যায়, তার বেশির ভাগই ভূগর্ভস্থ পানি! এখানে হেভি মেটালিক পলুশন আছে, কম্পোজিট পলুটেন্ট আছে, তেজস্ক্রিয়তা আছে, হাসপাতালের বর্জ্যের ভয়ানক দূষণ আছে, কলিফম আছে! পাশেই গড়ে ওঠা বাড়িগুলোতে থাকা যে কী কষ্টকর, বসবাসকারীরাই শুধু তা জানে। এই দূষণ বন্ধে পৌরসভাকে দায়িত্ব নিতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় লোকবল বাড়াতে হবে। একটি জায়গা ঠিক করে সেখানে ময়লা ফেলা বাধ্যতামূলক করতেই হবে নিজেদের বাঁচার জন্য। সেন্ট্রাল ইটিপি করে পানি বিশুদ্ধ করতে হবে, সব ধরনের ওয়েস্ট সেগরিগেশন করতে হবে, সলিওয়েস্টগুলোকে সরাসরি বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেমিলিকুইড ও লিকুইড ওয়েস্টগুলোকে আনতে হবে জৈব সার বা অন্যান্য কাজে ব্যবহারের আওতায়। লবলংয়ের দূষণে একসময় এই এলাকার মিঠাপানি পুরোটাই দূষিত বর্জ্যে পরিণত হতে পারে। পানি ট্রিটমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করেও তখন সুপেয় পানি মিলবে না। আসুন ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিষয়টি নিয়ে ভাবি। বর্জ্যকে আমরা সম্পদ তৈরিতে যা কিছু করণীয় তা করার বিকল্প কিছু নেই।

সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর