দেশে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপিস্ট বাড়ানো দরকার

দেশে দিনে দিনে বাড়ছে সেরিব্রাল পালসি প্রতিবন্ধী আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। এই শিশুদের অন্যতম সমস্যা কথা বলতে না পারা। তাদের জন্যই বাড়ছে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপিস্টদের চাহিদা। বর্তমানে দেশে ১৫০ জনের মতো স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপিস্ট আছেন। আর সেরিব্রাল পালসি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ৯৬ হাজারেরও বেশি। তাই স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপিস্ট বাড়ানোর তাগিদ দেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞজন। বুধবার সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপিস্ট (এসএসএলটি) আয়োজিত বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের আলোচনায় এ সব কথা বলেন তারা। এসএসএলটির ফেসবুক পেজ থেকে অনলাইনে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক ইত্তেফাক।

ফারজানা আহমেদের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সরকারের নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজএবিলিটি প্রটেকশন ট্রাস্ট এনডিডি ট্রাস্ট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. আনোয়ার উল্লাহ, সিআরপির স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শারমিন হাসনাত, বিএইচপিআই, সিআরপির সহকারী অধ্যাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং এসএসএলটির সভাপতি ফিদা আল শামস।

ডা. মো. আনোয়ার উল্লাহ বলেন, সরকার সেরিব্রাল পালসি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূল ধারায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কাজ করছে। সরকারের এ সংক্রান্ত নতুন প্রকল্পে আরো অনেক স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপিস্ট প্রয়োজন হবে। তাই আরো স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপিস্ট বাড়ানো প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে সেরিব্রাল পালসি প্রতিবন্ধীসহ সকল  প্রকার প্রতিবন্ধীদের মূল  ধারায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। ফিদা আল শামস বলেন, পাঁচ বছর সময় লাগে স্পিচ অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ থেরাপি পড়াশুনা করতে। পেশাগত দিক দিয়ে এর গুরুত্ব বাড়াতে হবে।