এক সঙ্গে বিদ্যুতের ১২ খুঁটি ভেঙে সড়কে, অল্পের জন্য রক্ষা এলাকাবাসীর

এক সঙ্গে পল্লী বিদ্যুতের হাই ভোল্টেজের ১২টি খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে এলাকাবাসী। 

শনিবার দিবাগত রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বংশাই রোড বাইপাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।কবে নাগাদ বিদ্যুৎ যোগাযোগ সচল হবে তা কেউ বলতে পারছেন না।

রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বংশাই রোডের বাইপাস এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মো. মাসুদ রানাসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, বংশাই রোডের দুই পাসে ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। মহাসড়ক দিয়ে টাঙ্গাইল জেলাসহ উত্তরাঞ্চলের ২২ জেলার শতশত যানবাহন চলাচল করে আসছে। পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগকে না জানিয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মহাসড়কের উত্তর পাশে ড্রেন নির্মাণের জন্য মাটি কাটার খনন যন্ত্র  (ভেকু) দিয়ে গত কয়েক দিন ধরে গর্ত করতে থাকেন। খুঁটির আশপাশ থেকে মাটি সরানোর ফলে বিদ্যুতের খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর রাতে) রাত একটার দিকে এক সঙ্গে ১০-১২ টি খুঁটি ভেঙে পড়ে এবং খুঁটিতে আগুন ধরে যায়। আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ, হাইওয়ে ও থানা পুলিশকে খবর দেন। ঘটনার পর পুরো এলাকা বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ যোগাযোগ সচল হবে তা কেউ বলতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ড্রেন নির্মাণ এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ যে খুঁটি স্থাপন করেছে তা ৫-৬ ফুট গভীরে। খুঁটি স্থাপনের নিয়ম ১০-১১ ফুট গভীর। কিন্তু তারা নিয়ম না মেনে কম গর্ত করে খুঁটি স্থাপন করায় এমন ঘটনা ঘটেছে। 

এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর মির্জাপুর জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডি জি এম) মো. জাকির হোসেন জানান, ড্রেন নির্মাণের জন্য মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ তাদের না জানিয়ে খুঁটির নিচ থেকে মাটি কেটে সরিয়ে নিয়েছে। ফলে ১০-১২টি খুঁটি ভেঙে পড়েছে। নতুন খুঁটির ব্যবস্থা করে লাইন সচল করার চেষ্টা চলছে। 

 

ইত্তেফাক/ইউবি