চট্টগ্রাম শ্রীপুর ও ডোমারে সড়ক দুর্ঘটনায় চার জন নিহত

শ্রীপুরে একটি ট্রাক মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে মোটরসাইকেলে আগুন লেগে একজন নিহত হয়েছে। কর্ণফুলীতে লরির চাপায় এক কলেজ ছাত্রী নিহত হয়েছে। ডোমারে ট্রাক্টরের সঙ্গে ভ্যানের সংঘর্ষে আট মাসের শিশুসহ দুই জন নিহত হয়েছে। চট্টগ্রাম অফিস ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

শ্রীপুর (গাজীপুর) : শ্রীপুরে ট্রাকের চাপায় বিল্লাল হোসেন (৪৫) নামের এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গড়গড়িয়া এলাকায় গতকাল সকালে এ ঘটনা ঘটে। বিল্লাল ময়মনসিংহের গৌরিপুর থানার মহিসারং গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে।

মাওনা হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, বিল্লাল মোটরসাইকেলে করে গৌরীপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। ধান বোঝাই একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলটির ওপরে উঠে গেলে আগুন ধরে যায়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ট্রাকচালক পলাতক।

চট্টগ্রাম অফিস : কর্ণফুলী নদীর তীরে বেড়াতে গিয়ে লরির চাপায় নিহত হয়েছে খাদিজা আক্তার উর্মি (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রী। উর্মি ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। নগরীর সদরঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম এলাকায়।

সদরঘাট থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, কলেজ থেকে ক্লাসশেষে সহপাঠীদের সঙ্গে সদরঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে নেভাল টুতে বেড়াতে যান উর্মি। সড়ক থেকে নেমে নেভাল টুতে যাওয়ার পথে পিছন থেকে রড বোঝাই একটি লরি তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সক মৃত বলে জানান। ঘাতক লরিটির চালক পলাতক।

ডোমার (নীলফামারী) : ডোমার উপজেলায় ট্রাক্টরের সঙ্গে অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভ্যানচালক ও এক শিশু নিহত হয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাঠানপাড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আরো দুই জন আহত হয়েছে।

নিহতরা হলো-বামুনিয়া ইউনিয়নের ময়দান পাড়া এলাকার আবুল হোসেন (৫৫) এবং নীলফামারী সদর উপজেলার রামগঞ্জ এলাকার নুরনবী ইসলামের আট মাসের কন্যাশিশু সাবিহা সুলতানা।  ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ট্রাক্টরটি আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক।