ফরিদগঞ্জ উপজেলার হাটবাজারে নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীন বেড়েই চলছে। বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোজ্য তেল, চিনি, আটা, ময়দা ও পিঁয়াজের দাম অসহনীয় মাত্রায় বেড়েছে। চালের দাম অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে। কাঁচা শাক-সবজির দামও কিছুটা বেড়েছে। তবে কাঁচা মরিচের দাম তুলনামূলক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে মুরগির দামও। বুধবার উপজেলা সদরসহ চান্দ্রা ও রূপসা, গৃকালিন্দিয়া, লতিফগঞ্জ, শোল্লা, মুন্সীর হাট, নয়াহাট, রামপুর, কালির বাজার, গাজীপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সয়াবিন ১৬০, সরিষার তেল ১৮০, পিঁয়াজ ৬০, আদা ১৫০, আটা ৩৫-৩৬, ময়দা ২১, চিনি ৮৫-৯০, মুগডাল ১৪০, বুটের ডাল ৫০ কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে। ককমুরগি ৩২০-৩০, ব্রয়লার ১৬০, গরুর গোশত ৬০০ টাকা কেজি ও ডিম (হালি) ৩৬-৪০ টাকা দরে বিক্রে হচ্ছে। কাঁচা তরকারির মধ্যে টম্যাটো ১৩০-৩৫, মূলা ৬০, পটল ৪০-৪৫, করলা ৬০, বেগুন ৬০-৬৫, ছড়া ৩৫-৪০, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সয়াবিন কেজিতে ৪০, আদা ৬০, পিঁয়াজ ২৭, ময়দা ১০-১২, আটা দুই-তিন টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ বিষয়ে সাধারণ ক্রেতা শরিফ মৃধা, সফিক মুন্সী, রেজু মুন্সী, নাজিমউদ্দিন, মনির হোসেনসহ অনেকেই দাবি করে জানান, টিসিবি কয়েকটি নিত্যপণ্য ফরিদগঞ্জে বিক্রির ব্যবস্থা করলে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার নাগালে রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া ফরিদগঞ্জে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা দৃশ্যমান না হওয়ায় মুদি দোকানে মূল্য তালিকা নেই বললেই চলে। যাদের রয়েছে তাও আবার হালফিল করা হচ্ছে না। ফরিদগঞ্জ, রূপসা, কালিরবাজার, চান্দ্রা, গাজীপুর বাজারের মুদি দোকানিদের মধ্যে রহমত উল্যাহ, মাহাবুব, জাকির হোসেন, মিজানুর রহমান জানান, বেশি দামে পণ্য কেনার কারণে কিছুটা বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। দোকানভেদে একই পণ্যের বিভিন্ন দাম রাখার কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, আগের কেনা ও পরের কেনায় ব্যবধান থাকায় সেটা হতে পারে। এ বিষয়ে জেলা মার্কেটিং অফিসার মো. মিজানুর রহমান ইত্তেফাককে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বললে আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে থাকি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি জানান, বাজারদর মনিটরিংয়ে অভিযান অচিরেই পরিচালনা করা হবে। তাছাড়া এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।