নাইক্ষ্যংছড়ির খাল-ছড়া থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কম্বনিয়া, চাকঢালা, আশারতলী ও জামছড়ি এলাকার নাইক্ষ্যংছড়ি খাল থেকে বালু উত্তোলন চলছে। এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের কাগজিখোলা ও লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের লামারপাড়ার মধ্যখানে দুই উপজেলার সীমানায় খুটাখালীর ছড়াখাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ড্রেজার মেশিন দিয়ে দিন-রাত অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে বাঁধ, ফসলি জমি এবং ঘরবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। এর আগে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বাইশারী ইউনিয়নের কাগজিখোলা গ্রামের জুহুরা পারভীন, কামাল হোসেন, আব্দু শুক্কুর, আমির মোহাম্মদ পৃথকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কয়েক জন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী কাগজিখোলা খুটাখালী ছড়াখালের কয়েকটি স্থানে ড্রেজার ও শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু তুলছেন। শুধু তাই নয়, নদীর তীর থেকে এক্সকাভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে আশ-পাশের ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে নদীর তীরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বালু উত্তোলনের কারণে বিভিন্ন স্থানে পাড় ধসে গেছে। ফলে যে কোনো সময় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ধসে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।  ঐ এলাকার মো. ইউনুছসহ নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা জানান, মাটি ও বালু না কাটতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু বালু ও মাটি কাটা অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও তারা দিন-রাত ট্রাক ও ডাম্পার গাড়িযোগে মাটি ও বালু পরিবহন করায় গ্রামীণ সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। আবার বালু তোলার কারণে নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি ও বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়েছে।  সম্প্রতি স্থানীয় কাগজিখোলা পুলিশ অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহূত মেশিন জব্দ করলেও কাজ হয়নি। এছাড়া রামুর গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ার ও নাইক্ষ্যংছড়ির একটি বালু উত্তোলনকারী দল নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার আশারতলী, জামছড়ি, চাকঢালা, কম্বনিয়ার নাইক্ষ্যংছড়ি খাল থকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে।  এ ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা ফেরদৌস বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।