লাল কার্ড মেনে নিলেও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত মানছেন না জিকো

 ‘লালকার্ড নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি পুরোই অন্যায়। এটা বাজে সিদ্ধান্ত ছিল—বললেন গোলকিপার জিকো। বললেন,‘ফাইনাল খেলার প্রস্তুতি ছিল। রেফারি সেটা হতে দিল না।’ কোনো খেলোয়াড় ম্যাচের রাতে ঘুমাতে পারেনি। জিকো বললেন,‘দুই ঘণ্টাও ঘুমাতে পারেনি কেউ। মালদ্বীপে সাংবাদিকের সামনে এসেছিলেন গোলকিপার জিকো। তিনি বললেন,‘এটা ভুলে গিয়ে আমরা শ্রীলঙ্কায় চার জাতি টুর্নামেন্টে জেদ থাকবে মাঠে খেলতে তো হবে রেফারি যদি এমন আচরণ করেন তাহলে ভালো কীভাবে হবে। রেফারিকেও ফেয়ার বাঁশি বাজাতে হবে। আমরা শ্রীলঙ্কা হতে চার জাতি টুর্নামেন্ট হতে ট্রফি আনব।’

দলের ম্যানেজার সত্যজিত দাস রূপু মালদ্বীপে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘খেলায় ড্রও হয়েছে কিন্তু আমাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল হারের কষ্ট। খেলোয়াড়রা খেতে পারেনি। অনেকেই কষ্ট হতে বেরিয়ে আসতে পারছে না। সবার মধ্যে ক্ষোভ থাকবে। এর আগেও নেপালে সাফে বল পোস্টে খেলায় ফিরেছিল। আমরা গোল করেছিলাম। তার পরও সেটি বাতিল করা হয়। বলা হলো বল বাইরে হতে এসেছে। অথচ লাইন ক্রস করেনি। এমনটা বারবারই হচ্ছে। এদিকে যদি নজর দেওয়া না হয় তাহলে কাউকে না কাউকে ভুগতে হবে।’