করোনার স্তব্ধতা কাটিয়ে পুরোনো নিয়মে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে উত্সবমুখর পরিবেশে আবারও প্রতিমা বিসর্জন হয়েছে। এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বার্ষিক ধর্মীয় উত্সবের সমাপ্তি হলেও সৈকতের বালিয়াড়িতে প্রতিমা বিসর্জন পরিণত হয়েছিল একটি সর্বজনীন উত্সবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিম, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মের মানুষও যোগ দেন এ উত্সবে। সৈকত যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিলন মেলায় পরিণত হয় শুক্রবার।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘কক্সবাজার আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিলন যুগ যুগ ধরেই চলে আসছে। চক্রান্তকারীদের সব ষড়যন্ত্র নস্যাত্ করে দিয়ে এবারও পূর্বের ধারা অব্যাহত রেখে সৈকতে সম্প্রীতির মিলন মেলা ঘটেছে প্রতিমা বিসর্জনে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এ চিত্র আমরা আজন্ম লালন করতে চাই। পরবর্তী প্রজন্মও যেন এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন সেটাই আমাদের প্রচেষ্টায় থাকবে।’
শুক্রবার বেলা আড়াইটা থেকেই কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিমা আসা শুরু হয় এবং বিকাল ৫টা পর্যন্ত আসা অব্যাহত ছিল।