অবশেষে মুক্তি পেল ‘চন্দ্রাবতী কথা’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রতিকূলতা পেরিয়ে আলোর মুখ দেখলো নওশাবা অভিনীত চলচ্চিত্র ‘চন্দ্রাবতী কথা’। এন রাশেদ চৌধুরী পরিচালিত ছবিটি গতকাল দেশের ৪টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘চন্দ্রাবতী কথা’ দর্শক দেখতে পারছেন স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি), স্টার সিনেপ্লেক্স (সীমান্ত স্কয়ার), যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাস ও সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ)-এ।

জানা গেছে, বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তী নারী কবির জীবন নিয়ে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। বাংলাদেশের প্রথম নারী কবি বলা হয় চন্দ্রাবতীকে। মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা এবং রামায়ণ তার অন্যতম সৃষ্টি। তবে তার সৃষ্টির চেয়ে ঢের বেশি নাটকীয় এবং একইসঙ্গে বিয়োগান্তক তার নিজের জীবন। ষোড়শ শতকের অসম্ভব প্রতিভাবান ও সংগ্রামী এই নারীকে নিয়ে নির্মিত ‘চন্দ্রাবতী কথা’ দেখতে দর্শক আগ্রহী হবেন।—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ‘ছবিটির গল্প মূলত ময়মনসিং গীতিকার চন্দ্রাবতী এবং রামায়ণের চন্দ্রাবতীর আদলে নির্মিত। ইতিহাস নির্ভর গল্প হওয়ায় অনেক গবেষণা করে ছবিটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা। ছবিটি দেখার পর মনে হবে আমাদের চারপাশের একটি গল্প দেখলাম। ছবিটির কাজ প্রায় ৫ বছর আগে শেষ হলেও নানা কারণে মুক্তি পায়নি। অবশেষে মুক্তির খবর নিঃসন্দেহে অনেক আনন্দের।’

এদিকে নির্মাতা জানিয়েছেন, ছবিটি চন্দ্রাবতীর সারাজীবনের একটি গল্প, তাই এর পরিধিও বড়। চন্দ্রাবতীর জীবন দেখানোর সঙ্গে সঙ্গে ছবিটিতে ওই সময়ের সামাজিক বিভিন্ন প্রেক্ষাপট, ঘটনা ও পারফর্মেন্স স্টাইলও উঠে এসেছে। ছবিটিতে নওশাবা ছাড়া আরো অভিনয় করেছেন দোয়েল ম্যাশ, ইমতিয়াজ বর্ষণ, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, মিতা রহমান, গাজী রাকায়েত, আরমান পারভেজ মুরাদ, জয়িতা মহলানবিশ প্রমুখ।

সেন্সর বোর্ডে প্রায় ১ বছর সিনেমাটি আটকে থাকার পর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ছাড়পত্র পায়। তবে ২০১৯ সালের নভেম্বরে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে প্রদর্শিত হয় ছবিটি।

ইত্তেফাক/বিএএফ