কিশোরগঞ্জে জামাই হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসি ও দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে।
বুধবার কিশোরগঞ্জের ২নং আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- পাকুন্দিয়া উপজেলার মান্দারকান্দি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেন মজু এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন তার সহোদর মোবারক হোসেন ও একই গ্রামের মো. আরমান। দণ্ডপ্রাপ্ত মোয়াজ্জেম হোসেন মজু ও মোবারক হোসেন ভিকটিমের শ্যালক।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মান্দারকান্দি গ্রামের আক্তারুজ্জামান প্রায় ১৫ বছর আগে তার মামাতো বোনকে বিয়ে করেন। ২০১২ সালের ২৬ জুলাই স্বামীর সঙ্গে রাগ করে সেলিনা আক্তার পিতার বাড়িতে চলে আসেন। পরদিন স্ত্রীকে আনতে গেলে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের আঘাতে আক্তারুজ্জামান গুরুতর জখম হন।
আরো পড়ুন: ডন পত্রিকায় কলাম- ‘বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে যেভাবে’
পরে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের ভাই মো. রুহুল আমিন বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে পাকুন্দিয়া থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। বিচার চলাকালে আরেক আসামি শ্যালক আজিজুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন।
ইত্তেফাক/অনি