পণ্যবাজারে সিন্ডিকেট- এই ব্যবস্থা চলতে দেওয়া যায় না ---এফবিসিসিআই সভাপতি

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, হাতে গোনা কয়েক জন ব্যবসায়ীর জন্য পুরো ব্যবসায়ী সমাজের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে। এই ব্যবস্থা চলতে দেওয়া যায় না। এই কয়েক জনের বাজার কারসাজিতে পুরো ব্যবসায়ী সমাজের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। পণ্যবাজারের এমন সিন্ডিকেট ভাঙতে এফবিসিসিআই কাজ করবে।

রবিবার এফবিসিসিআই মিলনায়তনে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিবিষয়ক এক সভায় তিনি বলেন, শ্যামবাজারে এক আড়ত থেকে আরেক আড়তে ভিন্ন ভিন্ন দামে পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হয়। আবার খুচরা বাজারেও এক বাজার থেকে আরেক বাজারে দামের পার্থক্য কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা। এই অবস্থা অস্বাভাবিক। এর পেছনে অল্প কয়েক জন ব্যবসায়ী দায়ী। ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই ব্যবসা করব, কিন্তু এমন কিছু করব না, যাতে পুরো ব্যবসায়ী সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম কমাতে সরকার দ্রুত আমদানি শুল্ক কমিয়েছে। এমন সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পণ্যটির দাম কমেছে। হ্রাসকৃত হারে শুল্ক পরিশোধ করা পেঁয়াজ বাজারে আসার আগে দাম কমে যাওয়া স্বাভাবিক নয় বলে মন্তব্য করেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি। তিনি মনে করেন, এ ঘটনাই বলে দেয়, পেঁয়াজের বাজারে অস্বাভাবিক কোনো বিষয় রয়েছে। বাজারের এমন সিন্ডিকেট ভাঙতে এফবিসিসিআই কাজ করবে।

এ সময় পেঁয়াজের আড়তদার ও আমদানিকারকেরা মূল্যবৃদ্ধি ও কমার পেছনে নানা যুক্তি দেন। পেঁয়াজ পরিবহনে চাঁদাবাজি, ভারতে বৃষ্টি এবং সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বাড়তি বিদ্যুত্ বিল দেওয়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম বেড়েছে। এ সময় বাজার সমিতির বিভিন্ন ব্যয়ের যুক্তি তুলে ধরেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন। মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি এম এ মোমেন, মো আমিনুল হক শামীম, রেজাউল করিম রেজনু প্রমুখ।