পাবনার রূপপুর বালিশকাণ্ড

মাসুদসহ ৮ প্রকৌশলীর জামিন কেন বাতিল নয় :হাইকোর্ট

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্পের ‘বালিশকাণ্ড’ মামলায় পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ৮ প্রকৌশলীর জামিন কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জামিন বাতিলের আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি জাহিদ সারওয়ার কাজলের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেয়। শুনানিতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী এ কে এম ফজলুল হক ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি শুনানি করেন।

পাবনার রূপপুর বিদ্যুত্ প্রকল্পের বালিশকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর চারটি মামলা দায়ের করে দুদক। পাবনায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা করা হয়। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পরস্পর যোগসাজশ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে লাভবান করতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কতিপয় প্রকৌশলী রূপপুর গ্রিন সিটির ২০ তলা ফাউন্ডেশনের ৬ ইউনিট-বিশিষ্ট ১ নম্বর ভবনের কিছু সিভিল এবং ই/এম ওয়ার্কসহ আইটেম কেনাকাটায় বাজারমূল্য থেকে অনেক বেশি মূল্য দেখানো হয়। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ, তলাভিত্তিক উত্তোলন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি যোগ করে প্রাক্কলন তৈরি করা হয়।

এই মামলায় নিম্ন আদালত থেকে জামিন পান পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান ও মোস্তফা কামাল, উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল কবীর, সুমন কুমার নন্দী, শফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক ও আমিনুল ইসলাম। এই জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। শুনানি শেষে রুল জারি করে হাইকোর্ট।