যুবলীগ নেতা মনিরুল হত্যা
শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা
শিবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফের কোষাধ্যক্ষ ও যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের সাত বছর আজ। ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর শিবগঞ্জ স্টেডিয়ামের কাছে পরিকল্পিতভাবে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় । এ হত্যা মামলার রায় হয়েছে ২০১৯ সালের ২০ জুন। রায়ে ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুই জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক। তবে, উচ্চ আদালতে আসামিরা আপিল করায় রায় কার্যকর আদেশ অপেক্ষমাণ।
এদিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সিরাজুল ইসলাম মুন্সির চাকরি ও এমপিও বহাল রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদি রহিমা বেগম। জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সিরাজুল ইসলাম মুন্সি বালিয়াদিঘী দারুস সুন্নাহ গোলিস্থায়া দাখিল মাদ্রাসায় সহ-সুপার পদে চাকরি করতেন। ঐ মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মালেকের দাবি, আদালতের রায় ঘোষণার কিছুদিন পরেই সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে চাকরি থেকে বহিষ্কার আদেশ চেয়ে নীতিমালা অনুযায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ডিজি বরাবর আবেদন পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে নিহত মনিরুল ইসলামের স্ত্রী ও বাদী রহিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীকে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আদালতও রায় ঘোষণা করেছেন। আমি এ রায়ের প্রতি সন্তুষ্ট। তবে, আসামিদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আপিল করায় রায় কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মালেক মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে এখন পর্যন্ত চাকরিতে বহাল রেখেছেন। আসামিদের রায় কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি।