চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ তারা হেরেছে ব্যাটিংয়ের কারণে। ইংল্যান্ডের কাছে ৫৫ রানে অল আউট হয়ে ৬ উইকেটে হারে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্টইন্ডিজ। আর দক্ষিণ আফ্রিকার হাতে ৫ উইকেটের হার ধরিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া। জয়ের খোঁজে আজ সেই দুই দলই মুখোমুখি হবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সেজন্য ব্যাটিংয়ে উন্নতির বিকল্প নেই।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচ ফিল সিমন্সও বললেন সে কথা, ‘বাজে শট সিলেকশনের কারণে শনিবারের ম্যাচটি হেরেছি আমরা। বোলিং খারাপ ছিল না বরং অসাধারণই বলব।এই খেলোয়াড়রা ইংল্যান্ডের সঙ্গে আগেও খেলেছে, তাই আমি বাজে শট সিলেকশনকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাব। মঙ্গলবারের ম্যাচের আগে আমাদের সেখানে দশ গুণ উন্নতি করতে হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকা অন্যতম সমস্যা হলো—উদ্বোধনী জুটি। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে বেশ হিমশিম খায় প্রোটিয়ারা। গত ম্যাচের কথাই ধরা যাক। টেম্বা বাভুমা ও কুইন্টন ডি ককের বিদায়ের পর আইডেন মারক্রাম ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি। অনভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ও ডেভিড মিলারের বাজে ফর্ম তাদের সে অর্থে কোনো সাহায্য করতে পারছে না। তবে বোলিংয়ে সে দুশ্চিন্তা নেই। যার কারণে অস্ট্রেলিয়াকে ১১৮ রানের লক্ষ্য পাড়ি দিতেও বেশ ঝক্কি পোহাতে হয়। কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নরকিয়ার আগুনে ঝড়া বোলিংয়ের মাঝখানে রান আটকে দিতে বেশ দক্ষ বিশ্বের সেরা বোলার তাবরেইজ শামসি ও কেশভ মহারাজ। তার ওপর চলতি বছরের শুরুতে ওয়েস্টইন্ডিজের মাটিতে গিয়ে দাপট দেখিয়ে সিরিজ জয় করে তারা। যার কারণে আজকের ম্যাচে মানসিকভাবে খানিকটা এগিয়েই থাকবে বাভুমার দল। তবে হুমকি দিয়ে রাখছেন ওয়েস্টইন্ডিজ কোচ। ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিংয়ের সঙ্গে ধ্বংসাত্মক শব্দটা জুড়িয়ে আছে। ইংলিশদের বিপক্ষে না হলেও প্রোটিয়াদের সেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে চায় গেইল-পোলার্ডরা। সিমন্স বলেন, ‘আমরা সবসময় এই স্টাইলেই খেলে থাকি। তবে আমাদের পরিস্থিতি বুঝে খেলার মতো ব্যাটসম্যানও আছে। তাই দলে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। আমরা আমাদের আক্রমণাত্মক ধরন বজায় রাখব, তবে শট সিলেকশনে প্রচুর ভালো করতে হবে।’
অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে বোলারদের খুব বেশি কিছু রাখেনি ক্যারবিয়ানরা। তবে যেটুকু পেয়েছে তাতেই নজর কেড়েছে। ভাগ্যগুণে বিশ্বকাপ দলে ঢুকা আকিল হোসেনের আঁটসাঁট বোলিং (২/২৪) ও ক্ষীপ্রগতির ফিল্ডিংয়ে মুগ্ধ করেছেন বেশ। তাই বল হাতে তার ওপর আস্থা রাখতেই পারে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
হেড টু হেড
ম্যাচ ১৫ : ওয়েস্ট ইন্ডিজ :৬ । দক্ষিণ আফ্রিকা :৯
বিশ্বকাপে ৩ : ওয়েস্ট ইন্ডিজ :১ । দক্ষিণ আফ্রিকা :২