মোটরসাইকেল সময় ও অর্থ বাঁচায়। তবে বেপরোয়া চালনার কারণে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে সড়কে মহাসড়কে। বিশেষ ধরনের হর্ন মারাত্মক শব্দদূষণ তৈরি করছে শহরের অলিগলিতে। মহাসড়কে অত্যধিক গতির কারণে প্রায়ই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাসের ধাক্কায়, ট্রাকের ধাক্কায়, গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে অথবা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মানুষ মারা যাচ্ছে। এক হিসেবে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ১৫৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে যেখানে প্রাণ হারিয়েছে ১৬৮ জন। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের হাতে মোটরসাইকেল আর প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে বেশি। মোটরসাইকেল নিয়ে বেপরোয়া কিশোর-তরুণরা একদমই ট্রাফিক আইন জানে না কিংবা মানে না। মোটরসাইকেল বিক্রির ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম আছে সেগুলো মানা হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঠিক মনিটরিং না থাকা, ট্রাফিক আইন ভাঙলে মোটরসাইকেল চালককে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে অবহেলাই অনেক দুর্ঘটনার কারণ। অনেক তরুণ মোটরসাইকেল নিয়ে ব্যস্ত রাস্তায় বাস-ট্রাক কিংবা প্রাইভেট কারের ফাঁক-ফোকর গলে ছুটতে থাকে। কম দামে চোরাই গাড়ি পাওয়ার কারণে অনেকে অপ্রয়োজনে মোটরসাইকেল ব্যবহার করছে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার বেশি হওয়ার কারণ হেলমেট না পরা কিংবা নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার। মোটরসাইকেল চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির যথাযথ কাগজ, গতিসীমা নির্ধারণ করা ও আইন মান্য করতে বাধ্য করা, বিনা প্রয়োজনে মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি না দেওয়া, ট্রাফিক আইনের কঠোর এবং চোরাই গাড়ি বিক্রি বন্ধ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এস ডি সুব্রত
সরসপুর, কাদিরগঞ্জ, শালা, সুনামগঞ্জ