ইতিহাস গড়া নামিবিয়ার মুখোমুখি স্কটল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের আগে নামিবিয়াকে নিয়ে গল্প করার কিছুই ছিল না। ২৫ লাখ জনসংখ্যার দেশে ক্রিকেট নিয়ে আগ্রহের গ্রাফটাও চূড়ায় গিয়ে পৌঁছায়নি। তবে এই বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার পর সেই গ্রাফ এখন ঊর্ধ্বমুখেই হাঁটবে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই যে তারা সুপার-১২তে খেলবে, তা একপ্রকার ভাবনার বাইরে ছিল। কিন্তু সেটাই সত্যিতে পরিণত করল গেরহার্ড ইরাসমাসের দল। এবার সুপার-১২তে রূপকথার কাব্য লিখতে আজ তাদের সামনে প্রথম প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড।

গত পরশু আফগানিস্তানের কাছে ১৩০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারের পর স্কটিশদের অবস্থানটা সুবিধাজনক নয়। আত্মবিশ্বাসও কিছুটা নড়বড়ে হওয়ার কথা। তাই আবুধাবিতে আজ নামিবিয়াই ফেভারিট। কেননা, আন্তর্জাতিক লড়াইয়ে দুবারের দেখায় সফল দল হিসেবেই মাঠ ছেড়েছে। তার ওপর প্রথম রাউন্ড শেষ দুই ম্যাচে তিন বিভাগেই তারা ছিল দুর্দান্ত।

আলাদা করে ডেভিড ভিজের কথা বলতেই হয়। শেষ দুই ম্যাচে তিনিই ছিলেন নামিবিয়ার জয়ের নায়ক। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে অপরাজিত ৬৬ রানের পর আয়ারল্যান্ডকে ধসিয়ে দেন অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে। বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে খেলেছিলেন ২৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস। আজও তার দিকেই আস্থাটা বেশি রাখবে নামিবিয়ানরা।

অন্যদিকে প্রথম রাউন্ডে টানা তিন ম্যাচ জিতে উড়ছিল স্কটিশরা। কিন্তু আফগানিস্তানের কাছে এমন ধরা দিল, যেন তাদের কিছুই করার ছিল না। ১৯০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে মাত্র ৬০ রানেই অলআউট। মুজিব-রশিদের স্পিনের সামনে জবাবই দিতে পারেনি।

সংবাদ সম্মেলনে স্কটিশ কোচ শেন বার্জার বলেন, ‘হ্যাঁ, হজম করতে কঠিন হয়েছে। সম্প্রতি খুব ভালো মোমেন্টাম ছিল আমাদের। এমন ছন্দে থাকার পর এই হার হজম করাটা কঠিনই। তবে এই প্রতিযোগিতা তা নিয়ে লম্বা সময় ভাবার সুযোগ দিচ্ছে না। দুই দিনের ভেতরে আমাদের আরেকটি ম্যাচ আছে। আমাদের ফের একত্র হতে হবে, এটা ভুলে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামতে হবে।’

হেড টু হেড

ম্যাচ      নামিবিয়া     স্কটল্যান্ড

২          ২            ০