সিলেটে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট

সিলেটে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ লিটার জ্বালানি তেলের চাহিদা থাকা স্বত্বেও তা সরবরাহ করা হচ্ছেনা। প্রতিদিন যেখানে ৩ ওয়াগান জ্বালানী তেল সরবরাহ করা করার কথা সেখানে মাত্র এক ওয়াগান জ্বালানী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে সিলেটের এক শত ১৪টি পেট্রোল পাম্পের মওজুদ প্রায় ৪০ লাখ লিটার নি:শেষ শেষ হয়ে টেঙ্কগুলো প্রায় ড্রাই হতে চলছে। 

নভেম্বর-মার্চ মাসে সিলেট অঞ্চলে জ্বালানী তেলের চাহিদা বেড়ে যায়। কিন্তু সেই অনুযায়ী জ্বালানী তেল সরবরাহ হয়না এই মৌসুমে। এদিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিলেটে জ্বালানি তেলের সংকট নিরসন না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় শাখার নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, বিষয়টি তারা জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে  সন্ধ্যায় ইত্তেফাককে জানান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় শাখার সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমদ চৌধুরী।

সিলেটের জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দেশে তেল সংকট না থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করা ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতেই কৃত্রিমভাবে এই সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। তারা মনে করেন, বর্তমানে যে তেল সরবরাহ হচ্ছে তা সিলেটের চারটি ডিপোর মধ্যে ভাগ করে নিতে হয়। এর জন্য কোন কোম্পানিই তাদের গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। সিলেটের জ্বালানী তেল ব্যবসায়ীরা এই সংকটের জন্য পদ্মা, মেঘনা, যমুনা কোম্পানির জেলা বিপণন কর্মকর্তাদের অদক্ষতাকে দায়ী করে অবিলম্বে তাদের অপসারণ দাবি করেছেন।

ইত্তেফাক/এসআই