কুমিল্লায় মণ্ডপে হামলার ঘটনায় আরেক মামলা

কুমিল্লার পূজামণ্ডপে ধর্ম অবমাননাবিষয়ক মামলাটির নথি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ এ মামলার ডকেট সিআইডি কুমিল্লার পুলিশ সুপারের নিকট হস্তান্তর করে। মামলার নথি বুঝে পাওয়ার পর সিআইডির পক্ষ থেকে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সন্ধ্যায় সিআইডি-কুমিল্লার পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে ঘটনার দিন নানুয়া দীঘির পাড়ের অস্থায়ী সেই মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় ভাঙচুর ও সহিংসতার অভিযোগে মঙ্গলবার গভীর রাতে ঐ মণ্ডপ কমিটির পক্ষ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় আরো একটি মামলা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি আনওয়ারুল আজিম জানান, গত ১৩ অক্টোবরের ঐ হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার গভীর রাতে পূজামণ্ডপ কমিটির পক্ষ থেকে তরুণ কান্তি মদন মিঠুন বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করেন।

পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজওয়ান সাংবাদিকদের জানান, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ ছাড়াও নগরীর মসজিদ, মন্দির, মাজারসহ বিভিন্ন অ্যাংগেল থেকে কারো কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা ম্যানুয়ালি দেখার পাশাপাশি ডিজিটালিও সবকিছু যাচাইবাছাই করে দেখা হচ্ছে।

নোয়াখালী জেলা যুবদল সভাপতিসহ আরো ৬ জন গ্রেফতার

নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, চৌমুহনীর মন্দিরে হামলার ঘটনায় এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমনসহ (৪৯) ছয় আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম তার সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন। সুমনকে রাঙ্গামাটি থেকে  গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ চারটি মামলা রয়েছে।

এদিকে মন্দিরে হামলার ঘটনায় ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা ৩ মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া দুই মামলায় গ্রেফতারকৃত সন্দেহভাজন সাত আসামি ও এজাহারভুক্ত এক আসামিসহ আট জনের  রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।  মঙ্গলবার রাতে  নোয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল  ম্যাজিস্ট্রেট কোজী সোনিয়া আক্তার এ আদেশ দেন।