জার্মানিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসান ঘটলো আঙ্গেলা মার্কেল যুগের। মঙ্গলবার নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনের সঙ্গে সঙ্গে বিদায়ী সরকারের মেয়াদও শেষ হয়। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের আগ পর্যন্ত কার্যনির্বাহী চ্যান্সেলর হিসেবে মার্কেল ক্ষমতায় থাকবেন। জার্মান রাজনীতির জগতে এদিন ছিল ব্যস্ততার দিন। রেকর্ড সংখ্যক ৭৩৬ জন এমপি এদিন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ফেডারেল জার্মানির ইতিহাসে তৃতীয় নারী হিসেবে স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন এসপিডি দলের বেয়ার্বেল বাস। বিদায়ী ও নতুন স্পিকার সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমপিদের সংখ্যা সীমিত রাখার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন, যাতে ২০তম পার্লামেন্টের এমন অস্বাভাবিক রূপের পুনরাবৃত্তি না হয়। গতবারের তুলনায় এবার ১৪০ জন বাড়তি সংসদ সদস্যের কারণে জার্মান করদাতাদের ওপর বছর ১০ কোটি ইউরোর বোঝা চাপবে বলে জানিয়েছে দেশটির করতাদাদের একটি সংগঠন। এসব ব্যস্ততার মাঝে আঙ্গেলা মার্কেলের উপস্থিতি সহজে চোখে পড়ার মতো ছিল না। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চ্যান্সেলর এবং তিন দশকেরও বেশি সময়জুড়ে সংসদ সদস্য থাকার পর তিনি এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করেননি। তাই সংসদের নিম্নকক্ষ বুন্ডেসটাগে ভিআইপি দর্শকের আসনে বসেই তিনি সব আনুষ্ঠানিকতা পর্যবেক্ষণ করেন। জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক ভাল্টার স্টাইনমায়ার মঙ্গলবারই আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কেলের সরকারকে বিদায় জানান। মার্কেলসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের অব্যাহতি দেন তিনি। দেশের কঠিন সময়ে চালকের আসনে মার্কেলের ভূমিকার প্রশংসা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্টাইনমায়ার।