সেবা এক্সওয়াইজেড ও ব্র্যাকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

দক্ষ গৃহপরিচারিকার সংকট মোকাবিলায় সেবা এক্সওয়াইজেড এবং ব্র্যাকের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মহাখালীতে অবস্থিত কাদেরিয়া টাওয়ারে ব্র্যাকের স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ইউনিটে চুক্তিটি স্বাক্ষর করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন স্ট্র্যাটেজি কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর আসিফ সালেহ, হেড অফ প্রোগ্রাম, এসডিপি তাসমিয়াহ তাবাস্সুম রহমান, প্রোগ্রাম ম্যানেজার, এসডিপি মাহেনও উম্মুল ওয়ারা। সেবা এক্সওয়াইজেড এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আদনান হালিম, চিফ অপারেশন্স অফিসার ইলমুল হক সজীব এবং হেড অফ ডিস্ট্রিবিউশন সাদেক আহমেদ।

প্রকল্পটি প্রথমে নির্ণয় করবে সেসব ক্ষেত্রগুলো, যেখানে প্রশিক্ষণ দরকার এবং তার ফলাফল অনুযায়ী ৩০০ জন গৃহপরিচারিকাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেবে দেশের বৃহত্তম অনলাইন সার্ভিস মার্কেট সেবা এক্সওয়াইজেড। নয় মাসব্যাপী প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য গরীব এবং দুস্থ মহিলাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া।

আরো পড়ুন: অনিমেষের সঙ্গে ভাবনার প্রেম, শিগগিরই বিয়ে

এছাড়াও তাদের বক্তব্যে উঠে আসে কিভাবে এই প্রকল্পটি থেকে শহরের গৃহপরিচারিকা সংকট অনেকাংশে দূর হবে। বর্তমানে বিশ্বস্ত গৃহপরিচারিকা খুঁজে পাওয়াটা দুষ্কর এবং এই সমস্যাটির সমাধান খোঁজাই এই প্রকল্পটির মুখ্য উদ্দেশ্য। কিভাবে এই প্রকল্পটি থেকে এই সমস্যার সমাধান হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে তা-ই উঠে এসেছে তাদের বক্তব্যে। এই আলোচনার শেষে একটি সফল প্রকল্পের প্রত্যাশা নিয়ে চুক্তি সম্পাদনাটি শেষ হয়।

সেবা এক্সওয়াইজেড একটি অনলাইন সার্ভিস মার্কেট যেখানে ৮৬টির ওপর সার্ভিস পাওয়া যায় যার মধ্যে রয়েছে প্লাম্বার, ইলেক্ট্রিশিয়ান, হোম এপ্লায়েন্স রিপেয়ার এবং সার্ভিসিং, অন ডিমান্ড ক্লিনার, পেস্ট কন্ট্রোল, হোম শিফটিং, হোম রেনোভেশন, বিউটিশিয়ান ইত্যাদি।

বর্তমানে সেবা এক্সওয়াইজেডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন চার হাজারেরও বেশি দক্ষ এবং ভেরিফাইড সার্ভিস প্রোভাইডার যারা তিন ধাপে অনুমোদন পাওয়ার পর সেবা এক্সওয়াইজেড প্লাটফর্মে নির্বাচিত হয়েছেন। সেবা এক্সওয়াইজেডের প্রতিটি সার্ভিসে রয়েছে সাত দিনের সার্ভিস ওয়ারেন্টি যার সাথে আরও রয়েছে ২৪/৭ কাস্টমার সাপোর্ট।

ইত্তেফাক/বিএএফ