লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
প্রয়োজনীয় খননের অভাবে ভরাট হয়ে যাচ্ছে লোহাগড়া উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া ডলু ও টংকা খাল। ফলে এক সময়ের ব্যস্ত খাল দুটি ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। উপরোন্ত বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ফসলি জমি। জানা যায়, ডলু ও টংকা খাল পার্বত্য চট্টগ্রামের লামা থেকে উত্পত্তি হয়ে লোহাগাড়ার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শংখ হয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। এক সময় এ খাল দুইটি দিয়ে বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলের গাছ-বাঁশ ও বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করা হতো। খাল থেকে মত্স্য আহরণ করে শত শত জেলে পরিবার জীবিকা নির্বাহ করত। সরেজমিনে দেখা যায়, ২৫/৩০ ফুট গভীরতার খাল দুইটির অনেকস্থান ভরাট হয়ে গেছে। বুঝার উপায় নেই এটি খাল না জমি। আবার অনেক স্থানে খালের চিহ্নই মুছে গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, খাল দুটি উপজেলার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভরাট হয়ে যাওয়ায় বোরোচাষিসহ অন্য চাষিদের সেচ সংকটে পড়তে হচ্ছে। এ বিষয়ে পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও পটিয়া পৌর উপবিভাগ কর্মকর্তা অপু দেব জানান, খাল দুটি সরজমিনে প্রদর্শন করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় প্রকল্প প্রস্তুত করে খাল খননের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।