সীমান্তে বাঁশের বেড়ায় দুই দেশের পতাকা

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) সংবাদদাতা

পাটগ্রামের বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের শূন্য রেখায় বাঁশের বেড়ায় বাংলাদেশ-ভারতের পতাকার ছাপ আঁকা হয়েছে। যেন পাশাপাশি মিশে আছে দুই দেশ। দুই দেশের শুল্ক স্টেশনের কর্মকর্তারা নিজ উদ্যোগে এ ছাপ আঁকায় এখানে মনোরম দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সুসম্পর্কিত দুটি দেশ বাংলাদেশ ও ভারত। মুক্তিযুদ্ধকালীন থেকে আজ পর্যন্ত দুই দেশের সম্পর্ক বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। এই দুই দেশের রয়েছে ভৌগোলিক, ভাষাগত, ঐতিহ্যগত, সামাজিক, সাংস্কৃতিক গভীর মিল ও ভাবাবেগ। এসব বিবেচনায় শূন্য রেখায় রঙ দিয়ে পতাকার ছাপ এঁকে রাখা হয়েছে বলে জানান কাস্টমস্ কর্মকর্তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভারত সীমান্তের শুরু থেকে সড়কের পূর্বপার্শ্বে উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি বাঁশের কঞ্চিতে প্রায় ৪০ মিটার বেড়া জুড়ে শোভা পাচ্ছে দুই দেশের পতাকার ছাপ। বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশের সময় শূন্য রেখা থেকে রং দিয়ে তৈরি বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। অপরদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় শেষ সীমান্তে লাগোয়া বাঁশের বেড়ায় ভারতের সাদা, সবুজ আর গেরুয়া রঙে সাঁজানো পতাকা। এ দৃশ্য সীমান্ত পথ ধরে চলাচলে পণ্যপরিবহনে নিযুক্ত চালক, ব্যবসায়ী, পর্যটক, শিক্ষার্থী সবার মনে করিয়ে দেয় এ যেন দুই দেশের বন্ধুত্বের মেলবন্ধন। দুই দেশের পতাকার সীমান্ত ও শুরু একপলক দেখেই চলাচলকারীরা বুঝতে পারে কোনটি কার দেশের সীমানা।

এ বিষয়ে বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনের সহকারী পরিচালক (এসি) কেফায়েত উল্যাহ মজুমদার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ অনেক সূচকেই ভারতকে টপকে সামনে এগিয়েছে। কাস্টমস্ হলো একটি দেশের উইন্ডো বা জানালা। যে কোনো বিদেশি নাগরিক কাস্টমের মাধ্যমে একটি দেশ সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকেন। তাছাড়া ভারত আমাদের প্রতিবেশী ভালো বন্ধু রাষ্ট্র। সে বিষয়গুলো মাথায় রেখেই কাস্টমস্ যাত্রীসেবা কক্ষসংলগ্ন ঐ করিডরটি আমাদের জাতীয় পতাকার রঙে রঙিন করা হয়েছে।