১৯৬৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল। চারটি বিভাগ থেকে ৫১ টি বিভাগ। ২০০ শিক্ষার্থী থেকে প্রায় ২৮ হাজার শিক্ষার্থী ও গুটি কয়েক শিক্ষক থেকে প্রায় নয় শতাধিক শিক্ষক আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য। বিশ্বের খ্যাতনামা প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী গবেষণা ও অধ্যয়ন করছেন। খ্যাতনামা এই বিশ্ববিদ্যালয়টির রবিবার ৫২তম এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার বঙ্গবন্ধু চত্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। তারপর সকলের অংশগ্রহণে উপাচার্ষ সম্মেলন কক্ষে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আলোচনা সভায় উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজের প্রতিনিধি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এখন দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়। এই অহংকার ও গৌরবের জায়গাটুকু অধিকতর ফলপ্রসূ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্ষেত্রে ‘সততা-স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা’ নিশ্চিতকল্পে প্রশাসন অঙ্গীকারাবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, সীমানা প্রাচীর নিমার্ণসহ অন্যান্য কাজের দিক লক্ষ্য করলেই এ বিশ্ববিদ্যালয় আজ কত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে তার প্রমাণ পাওয়া যায়। সীমানা প্রাচীর দেওয়ার ফলে বর্তমান আয়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২১৫০ একর জমি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র পঠন-পাঠনেরও জায়গা নয়, এটি হচ্ছে আধুনিক জ্ঞান সৃজন এবং বিতরণের তীর্থ স্থান। তাই উচ্চ শিক্ষা স্তরে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ ও আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক মানব সম্পদ উৎপাদনে সাফল্য অর্জিত না হলে আমাদের সার্বিক মুক্তি অর্জন সম্ভব নয়।’
এ আলোচনা সভায় ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য) মো. ফরহাদ হোসেন খানের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চবি প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। এছাড়া কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রাশেদ-উন-নবী, সিনেট সদস্য প্রফেসর এ বি এম আবু নোমান, সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহামদ ও সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বশির আহাম্মদ প্রমুখ।
ইত্তেফাক/বিএএফ