হঠাত্ করে বহু পুরোনো বন্ধু রাতুলের সাথে আমার দেখা হয়ে গেল। বন্ধুর চোখে একরাশ লাল হতাশা। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। চুলগুলো এবড়ো-থেবড়ো। বেশভূষা দেখে আমার বুঝতে বাকি রইল না বন্ধুর হয়েছেটা কী!
—কীরে রাতুল কোন ঝড় চলে?
—এ ঝড়ের নাই কোনো নাম/ জ্বলতেছে হূদয়, কাজ করতেছে না কোনো বাম।
—যাক ছ্যাকাটা কাজে দিছে।
—মানে?
—ছ্যাঁকা খেয়ে কবি হইতে পারলি শেষমেশ।
—তোর কবির খেতায় অক্সিজেন!
—আহা কী মধুর লাইন!
—আমার জায়গায় থাকলে বুঝতি কত যন্ত্রণা!
—ভাগ্যিস থাকি নাই!
—যে খেয়েছে সেই বোঝে হায় ছ্যাঁকা খাবার কী যে যন্ত্রণা।
—হইছিল কী বলত?
—ধোঁকা। ধোঁকা। ধোঁকা।
—তিনটা ছ্যাঁক?
—ছ্যাঁক না মনের ভাঙন।
—কেমনে কী! কে কে দিল?
—বাপি, অনিক, ফাহিম।
—ছিঃ দোস্ত কী শুনাইলি এইটা? শেষমেশ পুরুষ হয়ে পুরুষ পটাইলি?
—আরে না ফেসবুকে আমি পপি, আনিকা, ফাহিমারে পটাইছিলাম। পরে জানলাম আইডিগুলো বাপি, অনিক আর ফাহিম চালায়।
সরকারি তিতুমীর কলেজ