হোয়াইট হাউজের সভায় বক্তব্য দিলেন বাংলাদেশি তরুণী

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশী সমাজ কর্মী এবং অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ এর সহপ্রতিষ্ঠাতা শমী হাসান চৌধুরী। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের ম্যালেরিয়া ইনিশিয়েটিভ কোঅর্ডিনেটর, বৈশ্বিক যুব নেতৃবৃন্দসহ অনুষ্ঠিত হওয়া এই ভার্চুয়াল আয়োজনে আরো যুক্ত ছিলেন ইউএনডিপি প্রশাসক, ইউএসএআইডি প্রশাসক, ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক, দ্যা গ্লোবাল ফান্ডের নির্বাহী পরিচালক, পরিবেশগত মান সম্পর্কিত হোয়াইট হাউসের কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।

নিজের প্রতিষ্ঠান এবং বৈশ্বিক নানান বিষয়ের উপর নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন বৈশ্বিক এনজিও প্রতিষ্ঠান 'অ্যাওয়ারনেস ৩৬০'র সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক হিসেবে কাজ করা এই বাংলাদেশি তরুণী।

হোয়াইট হাউসের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার প্যানেলের পরিচালনায় হোয়াইট হাউস এবং ইউএনডিপি যৌথভাবে উচ্চ পর্যায়ের সভা আয়োজিত হয়।

পহেলা অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই সভা নিয়ে শমী ইত্তেফাককে বলেন, আমি মূলত আমার প্রতিষ্ঠান অ্যাওয়ার্নেস ৩৬০ নিয়েই কথা বলেছিলাম। কীভাবে আমরা তরুণদের এস‌ডি‌জিগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার উৎসাহ দিই, কীভাবে কোভিড -১৯ আমাদের কাজকে প্রভাবিত করেছে, মহামারী থেকে আমরা যে শিক্ষাগুলো পেয়েছি এসব বিষয় ছাড়াও কীভাবে এসডিজি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জনগণকে সংবেদনশীল করা যায় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজিগুলি বাস্তবায়নে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডাররা কী ভূমিকা পালন করতে পারে সেটি সম্পর্কে তুলে ধরেছি।

এই সম্মান দেশ এবং নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বিরাট অর্জন উল্লেখ করে শমী আরো যুক্ত করেন, বিশ্বের বেশকিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের সাথে যুক্ত হওয়াটা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সবসময় ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমাদের সবসময় সমর্থন দিয়ে এসেছেন।

উল্লেখ্য, পানি, পয়োনিষ্কাশন ও পরিচ্ছন্নতা (ওয়াশ) বিষয়ক সচেতনতা তৈরির একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করছেন শমী হাসান চৌধুরী। কীভাবে পানি বিশুদ্ধ করতে হয়, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব কী, মাসিকসংক্রান্ত কুসংস্কার কোনগুলো, প্রায় ৯ বছর ধরে এমন আরও নানা সচেতনতার কথা তিনি পৌঁছে দিচ্ছেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে। অ্যাওয়ারনেস ৩৬০ নামে একটি সেবামূলক সংস্থার সহপ্রতিষ্ঠাতা তিনি।