দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠছে নির্বাচনি মাঠ। ভোটের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই সংঘাত-সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিতরা নির্বাচনি এলাকায় উত্তাপ ছড়াচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রার্থীসহ বেশ কয়েক জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. শাহদাত হোসেন চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, প্রাণহানি কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা করলে ছাড় পাবে না।
দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিলের সময় গতকাল শেষ হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে কতজন প্রার্থী তা নিশ্চিত করতে পারেনি কমিশন। এসব মনোনয়নপত্র আগামী ২১ অক্টোবর যাচাই-বাছাই হবে, প্রত্যাহার করা যাবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। এদিকে তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে আপিল কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে আপিল কর্তৃপক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাগুরা সদরের জগদল এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে চার জন নিহত হয়েছেন। গত বুধবার বগুড়ার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনি শোভাযাত্রায় হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শিবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।