ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক অবসর নেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা। অবসর না নিলেও মাশরাফির ক্যারিয়ারে নতুন সূর্য উদয়ের সম্ভাবনা নেই। তবে এখনো ক্রিকেটে সরব সাবেক এ অধিনায়ক। বিশেষ করে জাতীয় দলের ম্যাচ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব দেখা যায় তাকে। টাইগারদের অভিনন্দন জানান তিনি।
গত সোমবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে বাংলাদেশের কোচিং স্টাফদের এক হাত নিয়েছেন মাশরাফি। রাসেল ডমিঙ্গোসহ সবার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার বাতিল কোচদের রিহ্যাব সেন্টার হয়ে গেছে বাংলাদেশ। ক্যাচ মিসে ফিল্ডারদের সঙ্গে কোচদের দায় দেখছেন তিনি। দলের পারফরম্যান্সে, যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে খেলোয়াড়দের মতো কোচরা সমানভাবে সমালোচিত হওয়া উচিত মনে করেন তিনি।
যদিও সাবেক এই অধিনায়কের তীব্র সমালোচনায় কর্ণপাত করতে চান না পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন। মাশরাফির বক্তব্য নিয়ে চিন্তা নেই তাদের। বাংলাদেশের কোচিং স্টাফদের মধ্যে চারজনই দক্ষিণ আফ্রিকার। হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স, ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক ও ফিজিও জুলিয়ান ক্যালোফাতো দক্ষিণ আফ্রিকান। তবে ক্যালোফাতো এখন ইতালিয়ান নাগরিক।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘এদের বাদ দেওয়া আরও বিপদ, কারন চুক্তির পুরো টাকাটা নিয়ে চলে যাবে। তাহলে দাড়ালো কি তারা যতোদিন থাকবে আর মন যা চাইবে তাই করবে। হেড কোচ এক এক করে নিজ দেশের সবাইকে আনছে, এরপর যারা অস্থায়ী ভাবে আছে তাদেরও সরাবে আর নিজের মতো করে ম্যানেজমেন্ট সাজাবে। তাও মেনে নিলাম কিন্তু রাসেল (হেড কোচ) ম্যানেজমেন্টের জন্য যেভাবে স্টেপআপ করে মূল দলের জন্য তাহলে লুকিয়ে কেন। কেন তামিম, মুশফিক, রিয়াদ ভালো থাকে না। এটা ঠিক করা কি তার কাজ না।’