কক্সবাজারের মহেশখালীর আদিনাথ মন্দিরের পাশের জেটিতে সন্দেহজনক আচরণের অভিযোগে ১২ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীকে আটক করেছে মহেশখালী থানা পুলিশ। পরে তারা নিজেদের ছাত্রলীগ নেতাকর্মী বলে পরিচয় দেয়। সোমবার (১ নভেম্বর) দিনগত মধ্যরাতে তাদের আটকের পর মঙ্গলবার (২নভেম্বর) দুপুরে মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করে অভিভাবকদের জিম্মায় নেওয়ার নির্দেশ দেন। ।
আটক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী হলেন, উপজেলার বড়মহেশখালীর শুকরিয়াপাড়ার মোবারক হোসেন (১৯), রায়হান মোক্তার সাগর (১৯), রাকিবুল হাসান (২৩),মাহাতাবুল ইসলাম আদিল (১৮), মো. সজীব ওয়াজেদ জয় (১৮), এবাদুল হক (১৮), মো. তাজ উদ্দিন (২১), আশেকুর রহমান আরমান (১৯), এরফান উদ্দিন (১৯), ফয়জুল হক(২৪), আব্দুল আল মামুন (২০) ও বড় ডেইল এলাকার আবু বক্কর ছিদ্দিক (১৮)।
পুলিশ জানায়, জন্মদিনের পার্টি করতে গভীর রাতে মহেশখালীর আদিনাথ জেটিতে গিয়ে মাদকাসক্ত হয়ে উশ্ছৃঙ্খল আচরণ করলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটক তরুণরা সবাই নিজেদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে দাবি করেন।
পরিবারের দাবি, শত্রুপক্ষ ষড়যন্ত্র মূলকভাবে প্রশাসনকে ভুল-বুঝিয়ে তাদের ধরিয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে এমনটি আর না করার মুচলেকায় আদালত তাদের জামিন দিয়েছেন। তবে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দরকার বলেও দাবি করেন অভিভাবকরা।
মহেশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হালিমুর রশিদ বলেন, ‘ছাত্রলীগের এক কর্মীর জন্মদিন পালন করতে গিয়েছিলেন কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। কিন্তু তাদের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় পুলিশ আটক করেছে বলে শুনেছি। তবে এত রাতে কোনো ধর্মীয় উপসনালয়ের পাশে পার্টি করা উচিত হয়নি। অন্যকোনো কারণ থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই বলেন , ‘গভীর রাতে এক দল লোক আদিনাথ জেটিতে অপরাধ সংঘটিত করার পরিকল্পনা করার সন্দেহে আটক করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’