চাষিদের অক্লান্ত পরিশ্রম আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে সাহায্য করছে। তাই কৃষি বান্ধব বর্তমান সরকার নানা ধরনের প্রণোদনা দিচ্ছে। ন্যায্যমূল্য দিয়ে ধান কিনে কৃষকের পরিশ্রমের মর্যাদা দিতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। আগামীতেও থাকবে। রবিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ৪টায় নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়াললি যুক্ত হয়ে খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি একযোগে সারাদেশে আমন সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন কালে এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যের নিরাপত্তায় মজুত বৃদ্ধি করতে সরকার সচেষ্ট। সেই ধারাবাহিকতায় এ মৌসুমেও আমন সংগ্রহে সফলতা অর্জন সম্ভব হবে। কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হবে না বলে উল্লেখ করে তিনি। এ সময় কেউ যাতে অবৈধ মজুত করে খাদ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখতে কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ। তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধামুক্তির লক্ষে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোসাম্মৎ নাজমানারা খানুম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, কৃষি কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়ন্ত্রক, কৃষক প্রতিনিধি, কৃষকলীগের নেতৃবৃন্দের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং মিল মালিক প্রতিনিধি ভার্চুয়াললি বক্তব্য রাখেন।
উদ্বোধন কালে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ফরিদ আহম্মেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর কবীর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আইয়ুব হোসাইন মন্ডল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা বেগম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আমিনুল কবির, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (খাদ্য গুদাম, নিয়ামতপুর) ইমরান আহমেদ।
উল্লেখ্য, এবার নিয়ামতপুর উপজেলায় (নিয়ামতপুর ও শিবপুর খাদ্য গুদাম) প্রতি কেজি ২৭ টাকা দরে ১ হাজার ৫শ ৫৪ মে: টন ধান এবং প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে ৩শ ১৬ মে:টন চাল ক্রয় করবে সরকার। এবার এ্যাপস এর মাধ্যমে লটারি করে কৃষক নির্বাচন ও ধান সংগ্রহ করা হবে। যাদের কৃষক নিবন্ধন করা হয়নি তাদের অতি দ্রুত নিবন্ধন করার জন্য বলা হয়েছে। আমন ধান সংগ্রহ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।