‘প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রকৌশলীদের আরও যত্নবান হতে হবে’

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্ধারিত সময়ে সকল প্রকল্প বাস্তবায়নে সবসময় আন্তরিক। এমনকি করোনা মহামারির সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন। তাই প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রকৌশলীদের আরও যত্নবান ও দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম ও গাফিলতি সহ্য করা হবে না।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম জেলায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের চলমান কাজ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম জেলায় চলমান কাজ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম

এনামুল হক শামীম বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামে ৭ হাজার ৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের গুনগত মান ঠিক রেখে নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে হবে। তবে কাজের গুনগত মানের ক্ষেত্রে কোন ধরনের অনিয়ম ও গাফিলতি সহ্য করা হবে না। কারণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে বিগত ১২ বছরে দেশে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, তার ফল জনগণ পাচ্ছে। উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়মের সুযোগ আর নেই।

চট্টগ্রাম জেলায় চলমান কাজ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম

উপমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী প্রজন্ম নিয়ে ভাবেন, সেজন্য তিনি আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ গড়তে চান। এজন্য তিনি দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন। সেজন্য তিনি ডেল্টাপ্লান-২১০০ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার সিংহভাগ কাজই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবেন। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারাদেশে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অখিল কুমার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী রমজান আলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সিবান্দু খাস্তগীর, নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা, নাহিদুজ্জামান, নুরুল ইসলাম, রুহুল আমিন সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।