করোনাভাইরাসের ধাক্কা পার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের অনেক টুর্নামেন্টই মাঠে গড়িয়েছে। ক্লাব ক্রিকেটের নিচের দিকের লিগগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) এখনো মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায়। চার দলের বিসিএল মূলত প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট। ফাইনালটা হয় পাঁচদিনের। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসেই শুরু হবে বিসিএল।
চলমান জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) শেষ হলেই বিসিএল শুরু করতে চায় বিসিবি। তবে এবার বিসিএলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ওয়ানডে টুর্নামেন্ট। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্রস্তুতি হিসেবে ওয়ানডে ফরম্যাটেও বিসিএল হবে। তবে সময়ের স্বল্পতার কারণে দুটি আসরই হবে সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতিতে। এছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ছাড়াই হবে বিসিএল।
বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেছেন, ‘বিসিএল তো শুরু করতেই হবে। ডিসেম্বরের ৭-১০ তারিখের মধ্যে শুরু হবে।’ গ্রাউন্ডস কমিটিকেও নাকি বলা হয়েছে পেস ও বাউন্সি উইকেট তৈরি করতে। তবে ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের আসর শেষ হলেই ওয়ানডে ফরম্যাট মাঠে গড়াবে। সুজন বলেছেন, ‘বিসিএল ওয়ানডে ফরম্যাটের কথা চিন্তা করছি। যেহেতু প্রিমিয়ার লিগের আগে ওয়ানডে ফরম্যাটের কোনো খেলা নেই। সামনে আবার বিপিএল আছে। সূচি ঠাসা হয়ে গেছে। তাই ওয়ানডে ফরম্যাটের একটা টুর্নামেন্ট হতে পারে। প্রথম শ্রেণির খেলা সিঙ্গেল রাউন্ড হওয়ারই কথা। ওয়ানডেও মনে হয় সিঙ্গেল রাউন্ড হবে।’ ওয়ানডেতে সেরা দুই দল নিয়ে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
বিসিএল মিস করবেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। বিসিবিও বহুদিন ধরে চাইছে ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচি নিরবচ্ছিন্ন হোক। তারকা ক্রিকেটারদের জন্য অপেক্ষা যেন না করা হয়। বিসিবির এ পরিচালক বলেছেন, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের কথা চিন্তা করলে বাংলাদেশে তো আর খেলা হবে না। ওদের যে ব্যস্ত সূচি সেগুলো নিয়ে চিন্তা করলে কোনো খেলা সম্ভব না। ওদের ছাড়াই বিসিএল খেলতে হবে। পাকিস্তানের সঙ্গে টেস্ট খেলার পর পরই ওরা নিউজিল্যান্ড যাচ্ছে। সুতরাং বিসিএল মিস করবে।’
জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ বন্ধ রাখারও বিপক্ষে সুজন। এবার সাকিব-তামিমদের ছাড়াই প্রিমিয়ার লিগ আয়োজন হবে, এমনটাই বলে দেওয়া হয়েছে ক্লাবগুলোকে।
ইত্তেফাক/টিএ