এনডিসি প্রিন্সিপালিটি অব আন্দোরার এপিসকোপাল কো-প্রিন্স মনস. জোয়ান-এনরিক ভিভেজ আই সিসিলিয়ার কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন মাদ্রিদে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যবিধি অনুস্মরণ করে রাজদরবারে এক আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে পরিচয়পত্র পেশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রিন্সিপালিটি অব আন্দোরা এর এপিসকোপাল কো-প্রিন্স এবং বাংলাদেশের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এর মধ্যে একটি একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কো প্রিন্স নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রদূত কো-প্রিন্সকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
রাষ্ট্রদূত আন্দোরাতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে কো-প্রিন্সের সমর্থন চান এবং আন্দোরান বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুবিধা নিতে উৎসাহিত করার জন্যও তাকে অনুরোধ করেন।
তিনি বলেন, আন্দোরা এবং বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অনেক ক্ষেত্রে একমত পোষণ করে, যেমন জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন এবং টেকসই উন্নয়ন ইত্যাদি। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরেন।
এ সময় আন্দোরা এর এপিসকোপাল কো-প্রিন্স বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রদূত আন্দোরা এর এপিসকোপাল কো-প্রিন্সকে ধন্যবাদ জানান। তিনি কো-প্রিন্সকে অনুরোধ করেন রোহিঙ্গাদের তাদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার দেশের প্রচারণা বাড়াতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করার জন্য এবং মিয়ানমারের উপর প্রভাব বিস্তারকারী দেশগুলোর উপর চাপ বাড়াতে যাতে মিয়ানমার বাধ্য হয় রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ।
প্রিন্সিপালিটি অব আন্দোরার এপিসকোপাল কো-প্রিন্স রাষ্ট্রদূতের উত্থাপিত বিষয়সমূহ গুরুত্ব সহকারে শ্রবণ করেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি রাষ্ট্রদূতের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তার দায়িত্ব পালনকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও বেগবান হবে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দানের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এই একান্ত এ বৈঠকে আন্দোরার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।