যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশে নেই সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ নেতা

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল গতকাল বুধবার (১১ নভেম্বর)। দলের নেতা-কর্মীরা উৎসব উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে দিনটি পালন করে। কিন্তু মুজিববর্ষে যখন যুবলীগ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে ঠিক ওই সময়ে দেশে ছিলেন না দলের সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় ৯ জন নেতা। নিজদের ব্যক্তিগত কাজে তারা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। 

এদিকে দলের সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা দেশে না থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। 

সাধারণ সম্পাদকসহ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেন্দ্রীয় যে ৯ জন নেতা দেশে নেই তারা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজ্জাদ হায়দার লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. রেজাউল কবির, আন্তর্জাতিক সম্পাদক কাজী সরোয়ার হোসেন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিল্টন, নির্বাহী সদস্য মো. মুক্তার হোসেন চৌধুরী কামাল ও নির্বাহী সদস্য সাজু সাহা।

নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মনির নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর যাত্রা শুরু হয় যুবলীগের।  

শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে শেখ ফজলে শামস পরশ যুবলীগের দায়িত্ব গ্রহণের পর যুবলীগকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করেছেন। অতীতের ক্যাসিনো কাণ্ডসহ যে কলঙ্কের অভিযোগ উঠেছিল  যুবলীগের বিরুদ্ধে, তা দূর করার চেষ্টা করছেন তিনি। কিন্তু সেই চেষ্টায় তিনি যেন দলের নেতাদের তেমন সহযোগিতা পাচ্ছেন না। দলের এমন একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অনুপস্থিতি যুবলীগের সোনালি অতীতকে যেন প্রশ্নবিদ্ধ করলো।

এ বিষয়ে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রিক ভাষায় অনুবাদ করেছে গ্রীসের আওয়ামী যুবলীগ। এই উপলক্ষে মাননীয় সাধারণ সম্পাদক গ্রিসে গেছেন। আর ঠিক এই সময়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী চলে আসছে, তিনি দেশে ফিরে আসতে পারেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় চেয়ারম্যান যাননি। সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ সঙ্গে গেছেন। আন্তর্জাতিক সম্পাদক কাজী সরোয়ার হোসেন গেছেন। আর সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাজ্জাদ হায়দার লিটনও গেছেন। মাননীয় চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধান্ত নিয়েই ওনাদের পাঠিয়েছেন। ড. মো. রেজাউল কবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এই কারণে উনিও সঙ্গে গেছেন। আর সঙ্গে দুইজন সদস্য আছেন। যেহেতু এটা গ্রিক ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে, এটা তো প্রকাশ করতে হবে। এজন্য প্রকাশনা সম্পাদক সঙ্গে আছেন। প্রত্যেকেই এই প্রকাশনার সঙ্গে সম্পৃক্ত, এজন্য তারা সঙ্গে গেছেন।’