সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ। মহারণের প্রস্তুতিটা ভালোভাবেই সারল ব্রাজিল। শুক্রবার সাও পাওলো স্টেডিয়ামে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে লাতিন আমেরিকার প্রথম দল হিসেবে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করল তিতের দল। তাও ৬ ম্যাচ হাতে রেখেই।
আনন্দের ম্যাচে নেইমার ভাগ্যবান যে লালকার্ড পেতে হয়নি। কিন্তু হলুদ কার্ড থেকে বাঁচাতে পারেননি নিজেকে। খেলার ৯ মিনিটেই রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তখন অবশ্য পার পেয়ে যান ঠিকই। কিন্তু ৭৪ মিনিটে রেফারির সিদ্ধান্তের ভিন্নমত পোষণ করায় আর রেহাই পাননি।
হলুদ কার্ড পাওয়ার দুই মিনিট আগেই একমাত্র জয়সূচক গোলটির সহায়তা করেন এই ফরোয়ার্ড। তার চালাকি ছোঁয়ায় ডি বক্সের মধ্যে বল পেয়ে যান লুকাস পাকেতা। দুর্দান্ত শটে কলম্বিয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে ভুল করেননি এই ফরোয়ার্ড। এই জয় আগামী ১৭ নভেম্বর আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে অনেকটাই নির্ভার রাখবে সেলেসাওদের। লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে ১২ ম্যাচে ১১ জয় ও ১ ড্রয়ে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শীর্ষে আছে তারা। আর ১১ ম্যাচে ৭ জয় ও ৪ ড্র নিয়ে দুইয়ে আর্জেন্টিনা।
এদিকে ইউরোপ অঞ্চলে হোঁচট খেয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগাল। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে তারা। দুই মাস আগে এই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেই শেষ মুহূর্তে গোল করে কোনোরকমে হার এড়িয়েছিলেন রোনালদো। কিন্তু এবার জ্বলেই উঠতে পারলেন না এই ফরোয়ার্ড। তার ওপর ৮১ মিনিটে পেপের লালকার্ড কাটা গায়ে নুনের ছিটা দেয় তাদের। বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে হলে শেষ ম্যাচে সার্বিয়ার বিপক্ষে অন্তত ড্র করতে হবে।
একই সমীকরণ স্পেনের জন্যেও। পেনাল্টি থেকে পাবলো সারাবিয়ার একমাত্র গোলে গ্রিসকে ১-০ ব্যবধানে হারায় লুইস এনরিকের দল। গ্রুপের আরেক ম্যাচে জর্জিয়ার কাছে সুইডেন ২-০ গোলে হারলে শীর্ষস্থানও ফিরে পায় তারা। এখন শেষ ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে হার এড়ালেই নিশ্চিত হবে বিশ্বকাপ।
ভলফসওয়াগেন এরিনায় লিখটেনস্টেইনকে নিয়ে ছেলেখেলায় মেতেছিল জার্মানি। আগেই কাতার বিশ্বকাপের টিকিট কাটা হ্যান্সি ফ্লিকের দলের কাছে ৯-০ গোলে উড়ে যায় লিখটেনস্টেইন। জোড়া গোল করেন লেরয় সানে ও থমাস মুলার। দুটি আঘাতি গোল ছাড়া বাকি গোলগুলো এসেছে ইলকায় গুন্দোয়ান, রিডল বাকু ও মার্কো রয়েসের পা থেক।
জার্মানির থেকে দুই গোল কম দিলেও উতসবে কমতি থাকেনি ক্রোয়েশিয়ার। মাল্টাকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে গত বিশ্বকাপের ফাইনালিস্টরা। জোড়া গোল করেন লভ্রো মাজের।