ভাগ্যান্বেষণে সৌদি আরব গিয়েছিলেন হবিগঞ্জের মাধবপুরের টুনি বেগম। দেশে রেখে যান দুই ছেলে ও এক মেয়ে। কিন্তু পরিবারের অভাব-অনটন ঘোচানো দূরের কথা, লাশ হয়ে ফিরেছেন টুনি।
গত ১৩ নভেম্বর মৃত্যুর ২ মাস পর কফিন বন্দি হয়ে টুনি বেগমের লাশ আসে বাংলাদেশে। এদিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাশ গ্রহণ করেন টুনির পরিবার। পরদিন রবিবার উপজেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামে তার লাশ দাফন করা হয়। টুনি উপজেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছের মেয়ে ও টুক্কু মিয়ার স্ত্রী।
টুনির ভাই মান্নান মিয়া, বড় বোন ছায়েরা ও মাজেদা জানান, পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার ভাগদিয়া গ্রামের হাছান ও দুলাল মিয়ার মাধ্যমে টুনিকে সৌদি আরব পাঠানো হয়েছিল। লাশ আসার পূর্বেই টুনির মোবাইল থেকে তার এক সহকর্মী ফোনে জানান এক লোক টুনিকে গলা টিপে হত্যা করেছে।
মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, টুনি বেগমের লাশ তার পরিবার রবিবার দুপুরে রাজেন্দ্রপুর কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেছে। ঘটনাস্থল যেহেতু সৌদি আরব সুতরাং সে দেশের সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।