বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে রাজাকারের ছেলে কক্সবাজারের মহেশখালী পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া ও তার স্বজনরা। গত বুধবার রাত ৯টার দিকে পৌরসভার গোরকঘাটা হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে ঐ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন আহত আমজাদের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন।
আমজাদ হোসেন মহেশখালীর গোরকঘাটা বাজার এলাকার মৃত হাজি লাল মিয়ার ছেলে। তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর অভিযুক্ত পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া যুদ্ধাপরাধী তালিকার মহেশখালী উপজেলার ২২ নম্বর আসামি হাশেম সিকদার ওরফে বড় মোহাম্মদের ছেলে।
আমজাদ হোসেন বলেন, রিকশা নিয়ে গোরকঘাটা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দুপাড়া রাস্তার মোড়ে গাড়ি থেকে নেমে তার রিকশার গতিরোধ করে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া। পরে তিনি ও তার ছেলে ইয়াবা মামলার আসামি নিশান, মেয়রের ভাগ্নে মামুন ও স্বজন মহিউদ্দিন এবং শামসুদ্দিনসহ আরো কয়েক জন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এক পর্যায়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে চলে যায় তারা।
দেলোয়ার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পৌর মেয়র মকছুদ তার দলবল নিয়ে তার পিতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছেন। এ ছাড়া কিছুদিন আগে তার বাবা মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই থেকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তারা। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সেই আশঙ্কা সত্য করে, তার বাবাকে অবশেষে হামলা করেছেন মেয়র মকছুদও তার স্বজনরা।
তবে আমজাদের পর হামলার বিষয় অস্বীকার করেন মকছুদ মিয়া ।তিনি বলেন, খাইরুল আমিন হত্যা মামলার শুনানি শুরু হয়েছে, যে মামলায় আমজাদ অভিযুক্ত। হয়তবা সেই মামলার কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ এই হামলার নাটক সাজিয়েছেন।
এদিকে মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই বলেন, আমজাদ হামলাকারীদের চিনতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন। তার লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।