পরচুলা শিল্পে বাড়ছে নারীর কর্মসংস্থান

পরচুলা শিল্পের সঙ্গে জড়িত উপজেলার লিজা, রীমা, আয়শা, শাহিনা কোনদিন ভাবতেও পারেনি ফেলে দেওয়া চুলেই একদিন তাদের জীবিকা নির্বাহ হবে। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা কেজি দরে এ চুল কিনে নিয়ে যাচ্ছে এক শ্রেণির হ্যান্ড মাইক ফেরিওয়ালা। আর এসব চুলেই এখন জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে বাগমারার শতাধিক নারীর। ওরা আর ঘরে বসে নেই। সপ্তাহে আয় করছে হাজার টাকার ওপর।

উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের মাদিলা গ্রামে এমনি পরচুলা ক্যাপ তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছেন আব্দুল জলিল নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি ঐ গ্রামের মোশারফ হোসেনের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে সেখানে গড়ে তুলেছেন এই কারখানা। সেখানে দিনভর অর্ধশতাধিক নারী কাজ করেন।

ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল জানান, তাদের কারখানায় তৈরি পরচুলা টুপি চীন, কোরিয়া, মায়ানমারসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। বাংলাদেশেও এসব পরচুলার চাহিদা রয়েছে। তবে বিদেশে বেশি দাম পাওয়া যায়।

কারিগর আয়শা, লিজা ও রিমা জানান, এসব কাজ কারখানার উদ্যোক্তারা তাদের শিখিয়েছেন। প্রতি চার ইঞ্চি পরচুলার টুপির জন্য তারা পাঁচশ টাকা করে মজুরি পান। লেখাপড়ার পাশাপাশি তারা এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।