ব্রিটেনের কমিউনিটি সেক্রেটারি মাইকেল গোব বলেন, দেশ মারাত্মক উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মুখে। লন্ডনে শনাক্ত করোনার সংক্রমণের ৩০ শতাংশই ওমিক্রন ধরনের। সংক্রমণ সংখ্যা দুই-তিন দিনের মধ্যেই দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাজ্যে গত ৯ জানুয়ারির পর শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখা গেছে। ব্রিটিশ সিনিয়র এক মন্ত্রী এ কথা জানান। করোনার নতুন ধরনের সংক্রমণ ধীর করতে দেশটির সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাজ্য বলছে, শুক্রবার মোট সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ১৯৪ জনে। দেশটির স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা বলছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী মধ্য ডিসেম্বর নাগাদ ওমিক্রন করোনার নিয়ন্ত্রক ধরন হয়ে উঠবে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইতোমধ্যে কিছু কঠোর পদক্ষেপ ঘোষণা করেছেন। একে তিনি ‘প্ল্যান বি’ নামে বর্ণনা করেছেন। নতুন ঘোষিত বিধি নিষেধ নিয়ে পার্লামেন্টে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে এবং আগামী সপ্তাহে হাউজ অব কমন্সে ভোটাভুটি হবে।