পর্যটক সেজে পাচারকালে কক্সবাজারের পেকুয়া থানা পুলিশ ৫০ হাজার ইয়াবার বিশাল চালান জব্দ করেছে। রবিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৭টার দিকে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের হরিনা ফাঁড়ির নুইন্ন্যা মুইন্ন্যা ব্রিজের ওপর এ অভিযান চালানো হয়। এসময় ইয়াবা পাচারে অভিযুক্ত ৭ যুবককে গ্রেফতার ও একটি কার ও দুটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার আমিরাবাদ সুখছড়ি সুন্নিয়াপাড়ার সুলতান আহমেদের ছেলে ওমর ফারুক (২৯) মৃত নবী হোছেনের ছেলে শহীদুল ইসলাম (২৮), আলী আহমেদের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৪৮), মাহবুবুল আলমের ছেলে রিদুয়ানুল করিম (২২), আবদু ছবুরের ছেলে মো. সজিব, মো. রাজু (২৭) ও মৃত সাধন চৌধুরীর ছেলে ডাবলু চৌধুরী (৪১)।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, গোপন সংবাদে খবর আসে ইয়াবার একটি বড় চালান উপকূলীয় মহাসড়ক দিয়ে চট্টগ্রামে পাচার হচ্ছে। এটি জানার পরই নুইন্ন্যা মুইন্ন্যা ব্রিজের ওপর চেকপোস্ট বসায় হরিনা ফাঁড়ির একটি টিম। এসময় সড়ক দিয়ে আসা একটি প্রাইভেট প্রিমিও কার, একটি সুজুকি জিক্সার ও আরেকটি ইয়ামাহা ফেজার মোটরসাইকেল তল্লাশীর জন্য দাঁড় করানো হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িতে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ইয়াবার পুটলি বের করা হয়। তা নিয়ে গুনে সেখানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
ওসি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামীরা স্বীকার করেছেন উখিয়ার কোটবাজার হতে ক্রয় করা ইয়াবা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে চকরিয়া-পেকুয়া উপকূলীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে লোহাগড়ায় নেয়া হচ্ছিল। সেখানে পৌঁছানো গেলে তা পরে চাহিদামত চট্টগ্রাম ও আশপাশ এলাকায় সরবরাহ দেয়া হতো। তারা ইতোপূর্বেও পর্যটক সেজে সংঘবদ্ধভাবে বেশ কয়েকটি বড় ইয়াবা চালান চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পৌঁছে দেয়। গত দুদিন আগে তারা পর্যটক সেজে কক্সবাজার গিয়ে ছিলেন।
ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী আরও বলেন, এটি পেকুয়া থানা হবার পর এযাবতকালের জব্দ করা সর্ববৃহৎ মাদকের চালান। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে। উখিয়া কারা তাদের পার্টনার তাদেরও সনাক্তকরণ কাজ চলছে।