সঙ্গীতশিল্পী উত্তমকুমার রায়ের একক সঙ্গীতসন্ধ্যা

জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সঙ্গীতশিল্পী উত্তমকুমার রায়ের একক সঙ্গীতসন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে এই অনুষ্ঠান শুরুর সময় বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার অধ্যাপক রতন সিদ্দিকী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (প্রশাসন ও কলেজ) পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, বিটিআরসি’র ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, এইচএনএস গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম এবং কবি ও সংস্কৃতিকর্মী শাহেদ কায়েস। 

আলোচকরা সঙ্গীতশিল্পী উত্তমকুমার রায়ের সঙ্গীতের উপর আলোকপাত করেন। এইচএনএস'র সৌজন্যে সঙ্গীতসন্ধ্যাটি সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী তরুণ কান্তি বাড়ই। উত্তমকুমার রায় ‘একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটি দিয়ে শুরু করে একের পর এক প্রায় আড়াই ঘণ্টা গান গেয়ে দর্শক শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখেন।

গানের ফাঁকে ফাঁকে উত্তমকুমার রায় তাঁর সঙ্গীত চর্চা, সঙ্গীত জীবন নিয়ে কিছু কথা বলেন। তিনি বলেন, তাঁর ভালোলাগা, বিশ্বাস, জীবনবোধ তার সঙ্গীতকে ঘিরেই। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন তিনি নজরুল চর্চা করেছেন সঙ্গীতজ্ঞ সুধীন দাশ ও সোহরাব হোসেনের কাছে।  

উত্তমের সঙ্গীতের প্রথম শিক্ষক ‘স্থানীয় শিশু একাডেমির প্রয়াত দেলোয়ার হক। বিশুদ্ধ মার্গসঙ্গীত শিখেছেন উস্তাদ মিহির লালা, অনিলকুমার সাহা, গৌতম ভট্টাচার্য, উস্তাদ মাশকুর আলী খান, শুভ্রা গুহ, বিদুষী শান্তি শর্মা প্রমুখের কাছে। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে উচ্চতর তালিম নিয়েছেন পণ্ডিত তুষার দত্তের কাছে। প্রিয় দর্শক-শ্রোতা, শুভাকাঙ্ক্ষী, গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্টদের দোয়া ও ভালবাসা চান উত্তম। আমৃত্যু গান গেয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন তিনি।