তিস্তার ভাঙন এসে ঠেকেছে শংকরদহ বধ্যভূমিতে, কিছু অংশ এবারে ভেঙে গেছে। হয়তো-বা আগামী বছর আর থাকবে না। স্বাধীনতার এত বছরে অরক্ষিত রয়েছে বধ্যভূমিটি।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ওবায়দুল্লাহ বলেন, ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর গঙ্গাচড়া উপজেলার শংকরদহ গ্রামে ঘটেছিল নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদরদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বুলেটে নির্মমভাবে নিহত হন ২২ জন নিরীহ গ্রামবাসী। শিয়াল-শকুনে ঠুকরে ঠুকরে খেয়েছিল ২২ জন নিরীহ মানুষের লাশ। আর এদিনেই শত্রুমুক্ত হয় গঙ্গাচড়া।
স্হানীয় ইউপি সদস্য সুলতান মিয়া বলেন, এবারের জন্য রক্ষা হলেও সামনের বছর আর রক্ষা হবে না। তিস্তায় বিলীন হবে বধ্যভূমিটি।
লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, তিস্তার ভাঙন থেকে বধ্যভূমি রক্ষার জন্য ঊর্ধ্বতন কতৃর্পক্ষের কাছে অনেক আবেদন নিবেদন করার পরও কাজ হয়নি। এখনো অরক্ষিত রয়ে গেল বধ্যভূমিটি।
উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আজিজুল ইসলাম বলেন, শুধু শুনি সরকার বধ্যভূমি রক্ষায় অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কিন্তু কাজ আর হয় না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা বেগম বলেন, শংকরদহ বধ্যভূমি রক্ষায় জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।